ডেস্ক রিপোর্টঃ সাতক্ষীরার কালীগঞ্জ উপজেলার রতনপুর ইউনিয়নের কিশোর গ্যাং কতৃক শ্যামনগর উপজেলার ভুরুলিয়া থেকে এক নারীকে তুলে আনা ও শীলতাহানির অভিযোগ উঠেছে। এই ঘটনায় কাউকে জানালে বা আইনের আশ্রয় নিলে ওই নারীকে হত্যার হুমকি দেওয়া হচ্ছে বলে ভুক্তভোগী ওই নারী সাংবাদিকদের কাছে অভিযোগ করেছেন। ওই নারীর বাড়ি শ্যামনগর উপজেলার নুরনগর ইউনিয়নের রামজীবনপুর গ্রামে। অভিযোগ ও স্থানীয় এলাকা সূত্রে জানা গেছে, গত ২ জানুয়ারি সন্ধ্যা সাড়ে সাতটার দিকে রামজীবনপুর গ্রামের ওই নারী ভাড়ায় চালিত মোটর সাইকেল যোগে গানের একাডেমিতে যাওয়ার পথে রতনপুরের কিশোর গ্যাং এর গডফাদার নামে পরিচিত নাটুয়ারবেড় গ্রামের খালেক মল্লিকের ছেলে আমির হোসেনের নেতৃত্বে একই গ্রামের রবিউল ইসলাম,
পিতা মিন্টু সরদার, দুলু মল্লিক
পিতা আজিজ মল্লিক,

আবু তাহের কাজল
পিতা, বক্কার মল্লিক, আল মামুন, পিতা জোনাব সরদার, প্রিন্স, পিতা গোলাম সরদার এছাড়া আরও ৮ থেকে ১০ জন কিশোর ওই মোটর সাইকেলকে অপর কয়েকটি মোটর সাইকেল ও মোটর ভ্যান নিয়ে ধাওয়া করে শ্যামনগর উপজেলার ভুরুলিয়া ইউনিয়নের সিরাজপুর স্কুল এন্ড কলেজের সামনের কার্পেটিং রাস্তা থেকে জোরপূর্বক তাকে তুলে এনে কালীগঞ্জ উপজেলার রতনপুর ইউনিয়নের নাটুয়ারবেড় গ্রামের আবু বক্কার মল্লিকের ছেলে আবু তাহের কাজল মল্লিকের বাড়িতে নিয়ে আসে। সেখানে এনে তার পরিহিত স্বর্ণের গহনা ও কাছে থাকা প্রায় দশ হাজার টাকা ভেনিটি ব্যাগ থেকে ছিনিয়ে নেয়।

এছাড়া সন্ধ্যা সাড়ে সাতটা থেকে রাত বারোটা পর্যন্ত তাকে আটকে রাখে। এই ঘটনায় লোক জানাজানি হলে স্থানীয় মোড়ল মাতব্বর কতৃক তার স্বামীকে ডেকে এনে সুকৌশলে কিছু বুঝে উঠার আগেই স্বামীর সাথে বাড়িতে পাঠিয়ে দেয়। এর পর থেকে আইনের আশ্রয় নিলে বা এই ঘটনায় মামলা বা কোন সাংবাদিককে জানালে তাকে হত্যা বা গুম করা হবে বলে এলাকায় বলে বেড়াচ্ছে কিশোর গ্যাং এর সদস্যরা। সরেজমিনে গিয়ে জানা যাচ্ছে, ওই নারী ভয়ে কোন প্রকার আইনের আশ্রয় নিতে পারছে না। এর আগেও এই কিশোর গ্যাং এর বিরুদ্ধে ছিনতাইয়ের অভিযোগ উঠেছিল। তাদের ভয়ে এলাকায় কেউ মুখ খুলতে সাহস পায় না। এই বিষয়ে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের উর্ধতন কর্মকর্তার জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন ভুক্তভোগী ওই নারী।