নীলাকাশ টুডেঃ সংসার জীবন বেশ জটিল। শুধু শাসনেই স্ত্রীত্ব দেখাতে গেলে বিপদে পড়ার আশঙ্কা অনেক। স্বামীদের বিরুদ্ধে স্ত্রীদের অভিযোগ অনেক। কোনো কাজে সাহায্য করে না, উপরন্তু কাজ বাড়িয়ে দেয়। তবে আজকাল অনেক ছেলেই কিন্তু স্ত্রীদের অনেক সহযোগিতা করেন। অনেক উপায়ে স্ত্রীদের সাহায্য করেন। তাই স্বামীদের নিয়ে সমস্যা হলে কিছু প্রশ্ন অবশ্যই নিজেদের সামনে রাখুন। কিছু কৌশল মেনে চলুন। স্বামীর মন জয় করার কিছু উপায় জেনে নিন। চেষ্টা করে দেখতে পারেন কাজে লাগতেও পারে।

ইমোম ডট কমের প্রতিবেদনে স্বামীর মন জয় করার কিছু উপায় দেয়া হয়েছে। সেগুলো তুলে ধরা হলো-

আপনি কি একটু বেশিই চিন্তা করে ফেলছেন

স্বামীর সাথে আপনার কয়েকদিনের আলাপ নয়, দীর্ঘ কয়েক বছরের পরিচয়। ফলে তার আচার আচরণ সবই আপনার জানা। এছাড়াও আপনারা একেবারেই যে একসাথে সময় কাটাননি তাও নয়। তাহলে কি আপনি একটু বেশিই বকে ফেলছেন? সমস্যা হলে সরাসরি স্বামীর সাথে কথা বলুন।

নিজেকে প্রশ্ন করুন

স্বামীর থেকে আপনি কী চান তা আগে নিজের কাছে জানুন। হয়তো আপনি যা ভাবছেন আপনার স্বামী সেই ভাবে ভাবছেন না। আপনি নিজের দায়িত্বে সব কাজ করে যান, সেই কারণে তিনি নিশ্চিন্তে থাকছেন। আপনি সাহায্য চাইলে যে তিনি সাহায্য করবেন না এমন কিন্তু নয়। তাই বিষয়টি নিয়ে বসে কথা বলুন। অযথা রাগ করবেন না।

একসাথে আলোচনা করে কাজ করুন

সংসারটা দু’জনের, আর তাই প্রথম থেকেই সব কিছু একার ঘাড়ে নেবেন না। যা করবেন দু’জনে মিলে আলোচনা করে করুন। তা বাড়ি ভাড়া হোক কিংবা ডিস বিল-এতে সমস্যা কম হবে। এছাড়াও একজন ইলেকট্রিক বিল বা অন্যান্য খরচ সামলালে আরেক জন বাকি দিকগুলো দেখুন। এভাবেই কিন্তু দু’জনের মধ্যে সামঞ্জস্য তৈরি হবে।

কথায় কথায় রাগারাগি করবেন না

কথায় কথায় একে অন্যের সাথে রাগারাগি করবেন না। বরং দু’জনে মিলে ঠান্ডা মাথায় সমস্যার সমাধান করুন। একসাথে সময় কাটান। রান্না করুন। দূরে কোথাও বেড়াতে যান। দেখবেন মন ভালো থাকবে। সেই সাথে একে অপরকে বুঝতে হবে। এখন ছেলে ও মেয়েদের কাজের চাপ সমান। ফলে মেয়েরাই বাড়ির কাজ সামলাবেন সেই দিন এখন আর নেই।

উপহার দিন

মাঝে মাঝে উপহার পেতে সবারই ভালো লাগে। তাই যখন আপনার স্বামী অফিস থেকে কিংবা ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান থেকে বাড়িতে আসবে তখন তাকে মাঝেসাজেই খুব ছোট ছোট উপহার দিবেন। এমন নয় যে উপহারটি খুব দামি হতে হবে। খুব সামান্য উপহার মানুষকে খুশি করে দিতে পারে। যেমন একটি ফুল কিংবা একটি ঘড়ি। এটি মানুষকে খুশি করে দিতে পারে।

ঘরের কাজেও তাকে দায়িত্ব দিন

শুধু অফিস আর বাইরের কাজ নয়, সপ্তাহে অন্তত এক দিন তার ওপরই ঘরের বেশির ভাগ কাজটা ছেড়ে দিন। যেমন ধরুন লাঞ্চে কী খাবেন সিদ্ধান্ত আপনি নিন। কিন্তু রান্নার দায়িত্ব সম্পূর্ণ বরকে দিন। তেমনই ঘর পরিষ্কার এবং গোছানোর কাজটাও না হয় এক দিন তার ওপরই ছেড়ে দিলেন। তবে অবশ্যই তদারকি করতে ভুলবেন না।