এম,এ,জলিলঃ

বচনে বলে সাপের লেখা আর বাঘের দেখা এই দুটি জিনিস যদি বাস্তবতার ভিত্তিতে দেখা হয়ে যায় তাহলে সেই বচনের কথাটার তৎপর্য ব্যাখ্যা করলে আসলে সেটাই মানব জিবনের জন্য বড় খতিকর দিকের একটি অন্যাতম কারন হয়ে দাড়ায়। তাই তো সময় থাকতে পারিনা এই সামন্যতম একটি সেবার উপকরণ মানুষের দৌড় গোড়ায় পৌঁছায়ে দিতে।

দেশের দক্ষিণ পশ্চিম অঞ্চলের অতিহ্যবাহি জেলা যশোর জেলা আর যশোর জেলার প্রতিটি উপজেলার সহর বা নগর,পৌর,ইউনিয়ন বা গ্রাম্য কেন্দ্রীক সরককারী বা বেসরকারী হাতপাতাল গুলোতে সাপের ইনজেকশন রাখা অতীব জরুরি।কিন্তু দুঃখের বিষয় সাপে কাটা রোগীদের সাপের ইনজেকশন খুবই জরুরি হওয়া সত্ত্বেও কোথাও কোন হাসপাতালে জিবন চলে গেলেও চিকিৎসার কোন সুরাহ মিলবে না বলে মনে হয়।
মানুষ সামাজিক জিব আর সামাজিক জিব হিসাবে মানুষ তার পরিবার পরিজন আত্মীয় স্বজন নিয়ে বাস বসবাস। আর এই বাস বসবাসের মধ্যে গ্রামেই অধিকাংশ লোকের বসবাস। সেই আলোকে শতকরা ৮০% গ্রাম্য লোকেরা কৃষি কাজ করে। আর সেই কৃষি কাজগুলো করতে হলে দিন রাত পরিশ্রম করতে হয় মাঠে ঘাটে। তার পরেই হয়তো হাড় ভাঙ্গা পরিশ্রম এর ভিত্তিতে কৃষকের স্বপ্নের ফসল ঘরে আসে।

সাপের ইনজেকশন নিয়ে মন্তব্য প্রতিবেদনে সাংবাদিক আঃজলিলের কিছু কথা নিয়ে তুলে ধরা হলঃ

উপজেলা বা গ্রামের হাসপাতাল গুলোতে সাপে কামড়োনো কোন ওষুধ বা ইনজেকশন পাওয়া যায়না।কারণ সাপ গ্রামেই বা মাঠে ঘাটে বিভিন্ন রাস্তার আশে পাশে ঝোপ জঙ্গলে থাকে,শহরের খুব একটা নয়।

বিশক্ত কোন সাপে যদি কাওকে দংশন করে তাহলে ওই সাপে কামড়ানো ব্যাক্তিকে গ্রাম্য কবিরাজের সরনাপন্ন হতে হয় ফলে অনেক সময় কবিরাজের ভুলের কারনে বা হিড়াহিড়ির জন্যই দেরি হয়ে যায় আর তখনি সাপে কামড়ানো ওই রোগীর মূত্য মুখে পতিত হয়।

গ্রাম্য বা উপজেলা ভিত্তিক স্বাস্থ্য কেন্দ্রীক হাসপাতাল গুলোতে সাপে দংশনের কোন ডাক্তারিক চিকিৎসা একেবারে নাই বললে চলে। তাই গ্রাম্যময় এলাকা থেকে শহরে নিয়ে যাওয়ার সময় দেরি হওয়ার কারণে প্রতিমধ্যে অকালে নিভে যায় অনেক তর- তাজা মানব দেহের প্রান।

যাহার ভুলের খেসারত হিসাবে দিতেই হয় বিভিন্ন খেটে খাওয়া, অসহায়, গরিব দুখি,দুস্হ, গ্রাম্য কেন্দ্রীক মানুষ গুলিকে।সমাজের এ থেকে পরিবর্তন ফিরে আনতে গেলে আমাদের গ্রাম্য হাসপাতাল বা উপজেলার হাসপাতাল গুলোতে সাপের ইনজেকশন যাতে সহজে পাওয়া যায় সেদিকে সরকারের উদ্বোধন কতৃপক্ষ খেয়াল রাখলে অসহায় খেটে খাওয়া গরীব দুঃখী অসহায় মানুষের বিশেষ উপকৃত হবে।

আঃজলিল, গণমাধ্যম কর্মী
যশোর