ডেস্ক রিপোর্টঃ সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার কৈখালি ও রমজাননগর ইউনিয়নে মাদক চোরাকারবারিদের দুই দফা হামলার ঘটনায় শ্যামনগর থানায় মামলা করা হয়েছে।

মামলায় অভিযুক্ত রমজানগর ইউপি চেয়ারম্যান শেখ আল মামুনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এর আগে ইউপি চেয়ারম্যান শেখ আল মামুনকে র‌্যাবের সাতক্ষীরা কার্যালয়ে নিয়ে জিজ্ঞেসাবাদ করা হয়। একদিন পরে র‌্যাবের পক্ষ থেকে শ্যামনগর থানায় ইউপি চেয়ারম্যান শেখ আল মামুনের নাম উল্লেখ সহ অজ্ঞাত একাধিক ব্যক্তির নামে মামলা দায়ের করা হয়েছে। উক্ত মামলায় শ্যামনগর থানা পুলিশ ইউপি চেয়ারম্যান শেখ আল মামুনকে গ্রেফতার করে থানা হাজতে রেখেছে। আগামী কাল সোমবার তাকে জেলে হাজতে প্রেরণ করা হবে বলে শ্যামনগর থানা অফিসার ইনচার্জ আলহাজ্ব মোঃ নাজমুল হুদা নীলাকাশ টুডেকে জানিয়েছেন।

উল্লেখ্য গত শুক্রবার রাতে উপজেলার কৈখালি ও রমজাননগর ইউনিয়নে সংযোগ ব্রীজের কাছে মাদক চোরাকারবারিদের দুই দফা হামলার ঘটনার শিকার হয় র‌্যাবের সদস্যও সোর্স। ওই ঘটনায় হামলাকারিরা র‍্যাব সদস্যদের ব্যবহৃত সাতটি মোটরসাইকেল ভাঙচুর করে। আহতদের বিভিন্ন স্থানে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে বলে বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যম সূত্রে জানা গেছে। ঘটনার পর থেকে এলাকায় থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে।

নাম প্রকাশে না করা শর্তে র‌্যাবের একজন সোর্স ও স্থানীয়রা দৈনিক যুগান্তর ও জাগরণ পত্রিকাকে জানিয়েছেন, শুক্রবার রাতে একটি প্রাইভেটকার ও ৫টি মোটর সাইকেলসহ র‌্যাব ও কয়েকজন সোর্স কৈখালি এলাকায় মাদক উদ্ধার অভিযান চালাচ্ছিল। মাদক কেনাবেচার ভান করে তা জব্দ করার সময় চোরাচালানিরা তাদের ওপর হামলা করে। তাদেরকে বেধড়ক মারপিট করে কৈখালির একটি ঘরে আটকে রাখে।

খবর পেয়ে নদীর অপর পাড়ে রমজাননগরে থাকা র‌্যাবের কয়েকজন সোর্স ও সদস্য কৈখালি থেকে তাদের উদ্ধার করে নিয়ে আসেন। রমজাননগরে আসার পরপরই তাদের পথরোধ করে আবারও হামলা করে আরেক দল চোরাকারবারি। এ সময় তাদের মারধর করে দ্বিতীয় দফায় অন্য একটি ঘরে আটকে রাখা হয়। খবর পেয়ে র‌্যাবের অতিরিক্ত কয়েকজন সদস্য ঘটনাস্থলে পৌঁছালে চোরাকারবারিরা তাদের ছেড়ে পালিয়ে যায় বলে ওই সংবাদমাধ্যম গুলো খবরে উল্লেখ করেন। মামলার ঘটনা শ্যামনগর থানা অফিসার ইনচার্জ আলহাজ্ব মোঃ নাজমুল হুদা সত্যতা স্বীকার করেন।