শ্যামনগরে কলেজ ছাত্রীর মৃত্যু নিয়ে নানা গুঞ্জন


MD Nuruzzaman প্রকাশের সময় : জুলাই ২৮, ২০২৩, ১:০৬ পূর্বাহ্ন /
শ্যামনগরে কলেজ ছাত্রীর মৃত্যু নিয়ে নানা গুঞ্জন

 

সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার মুন্সিগঞ্জে কলেজ শিক্ষার্থী বিপালো সরদারের রহস্যজনক মৃত্যু হয়েছে। নিহত কলেজ ছাত্রী মুন্সীগঞ্জ ইউনিয়নের কুলতলী গ্রামের অশোক সরদারের মেয়ে।

নিহতের পরিবার সূত্রে জানা যায়, একই ইউনিয়নের রবীন্দ্র নাথ বিশ্বাসের ছেলে মৃম্ময় বিশ্বাস মোহনের সাথে একই কলেজে লেখাপড়ার সুবাদে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে তার। স্থানীয়দের মতামতে ২৭ জুলাই ঘটনার দিন বিকালে নিহতের সাথে মনমালিন্য হয় মোহনের। দেখা করার জন্য কয়েকবার ফোনে যোগাযোগ করার চেষ্টা তারপর সরাসরি গিয়ে নিহত জেঠিমার সাথে দেখা করার করে জন্য বলে মোহন। তার কয়েক ঘন্টা পর পার্শ্ববর্তী একটি ঘরে তার লাশ ঝুলন্ত অবস্থায় পাওয়া যায়।

আরও পড়ুনঃ  শ্যামনগরে আটক ৩

পরিবারের দাবি পরিকল্পিত ভাবে হত্যা বা আত্মহত্যা করতে বাধ্য করা হয়েছে। যেখানে মৃত্যু ঘটনা ঘটেছে সেখানে রহস্যময় মৃত্যু বলে জানিয়েছে এলাকাবাসী।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক নিহতের প্রতিবেশীরা জানান, একাধিক ছেলের সাথে প্রেমের সম্পর্ক ছিল তার। সেটা নিয়ে মনমালিন্য বা ঝগড়াঝাঁটির কারনে এটা হতে পারে। নিহতের পরিবারের সূত্রে যাকে দোষী করা হচ্ছে তার পিতা স্থানীয় সাংবাদিকদের বলেছেন, ফরম ফিলাপের টাকা দিতে ব্যর্থ হওয়ায় অভিমানে আত্মহত্যা করেছে সে। আমার ছেলেকে ফাঁসানো হচ্ছে। আপনার ছেলে পলাতক কেন এমন প্রশ্নের উত্তরে প্রসঙ্গ এড়িয়ে নিজের ছেলেকে নির্দোষ বলে দাবি করেন তিনি।

আরও পড়ুনঃ  শ্যামনগরে শিশুর উপর হামলে পড়ে কুকুর

এই নিয়ে গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশ হওয়ায় নতুন করে আলোচনায় আসে ঘটনাটি।

প্রকাশিত সংবাদ সূত্রে জানা গেছে, ইউপি সদস্য প্যানেল চেয়ারম্যান উৎপল কুমার জোয়াদ্দার জানিয়েছেন, হত্যা কি আত্মহত্যা সেটা পোস্ট মর্টেম রিপোর্টে সঠিক বলতে পারবে। তবে এলাকায় বিভিন্ন রকম গুঞ্জন শোনা যাচ্ছে।
মুন্সিগঞ্জ ডিগ্রী কলেজের প্রিন্সিপাল মোস্তফা আব্দুল হামিদ বলেন, ফরম ফিলাপের তালিকায় নাম ছিল মেয়েটির। আমরা কলেজ কর্তৃপক্ষ তাকে ফরম ফিলাপ করানোর জন্য কলেজে আসতে বলেছিলাম। মেয়েটির ছোট মামা শেষের দিন ফরম ফিলাপ করবে এই মর্মে আমাদের সাথে যোগাযোগ করেছিলেন।

আরও পড়ুনঃ  শ্যামনগরে ২ ডাকাত গ্রেফতার, মালামাল উদ্ধার

ঘটনার দিন নিহতের সুরতহাল কারি শ্যামনগর থানার এসআই আরিফ হোসেন ঘটনাস্থলে বলেন, ময়নাতদন্তের পর নিশ্চিত ভাবে বলা যাবে।

শ্যামনগর থানার অফিসার ইনচার্জ মো. আবুল কালাম আজাদ গণমাধ্যমকে বলেন, আগামী ১২/১৪দিনের মধ্যে ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পাওয়া যাবে, রিপোর্ট অনুযায়ী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।