নীলাকাশ টুডেঃ বিভিন্ন মাধ্যমে লোভনীয় ও অসত্য বিভ্রান্তিকর তথ্য দিয়ে বিজ্ঞাপন পরিবেশন ঠেকাতে সরকারের নিষ্ক্রিয়তা কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট।একই সঙ্গে এ ধরনের বিজ্ঞাপনদাতাদের বিরুদ্ধে কেনো আইনগত পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে না, রুলে তাও জানতে চাওয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার বিচারপতি মো. খসরুজ্জামান ও বিচারপতি মো. মাহমুদ হোসেন তালকুদারের হাইকোর্ট বেঞ্চ এই আদেশ দেন।

আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট কামরুল ইসলাম। তার সঙ্গে ছিলেন তামজিদ হাসান পাপুল ও রবিউল আলম।

আগামী চার সপ্তাহের মধ্যে তথ্যসচিব, বাণিজ্য সচিব, সংস্কৃতি সচিব এবং ভোক্তা অধিদফতরের মহাপরিচালক এবং প্রতিযোগিতা কমিশনের চেয়ারম্যানকে রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।

এর আগে গত ১৫ সেপ্টেম্বর লোভনীয় বিজ্ঞাপন নিয়ন্ত্রণে বিবাদীদের নিষ্ক্রিয়তাকে নিয়ে চ্যালেঞ্জ রিট দায়ের করেন সুপ্রিমকোর্টের আইনজীবী কামরুল ইসলাম।

আরও পড়ুন

কালীগঞ্জের রতনপুরে খাল দখল করলো আ”লীগ নেতা, ডুবে মরলো জনতা!

নীলাকাশ টুডেঃ সাতক্ষীরার কালিগঞ্জে সরকারি খাল দখল করে মাছ চাষ করার অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় এক আওয়ামী লীগ নেতার বিরুদ্ধে। রতনপুর ইউনিয়নের আওয়ামী লীগ নেতার কাছে খাল ইজারা দেওয়ার ঘটনায় অন্তত ১০টি গ্রামের কয়েক হাজার পরিবারকে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। স্থায়ী জলাবদ্ধতায় রূপ নিয়েছে ৮টি বিল। প্রশাসন থেকে খালবিলের অবৈধ নেটপাটা উচ্ছেদের জন্য গণবিজ্ঞপ্তি জারি করলেও তা মানছে না প্রভাবশালীরা। কালিগঞ্জ উপজেলার রতনপুর ইউনিয়নের বাইনতলা খাল। আশেপাশের ৮টি বিলে চাষাবাদে ভরসা এই খালের পানি। পাশাপাশি বর্ষা মৌসুমে মাছরাঙ্গা, দত্তনগর, কাটুনিয়াসহ অন্তত ১০টি গ্রামের পানি নিষ্কাশনের পথও এই খাল। কিন্তু সম্প্রতি খালটির সামান্য অংশ ইজারা নিয়ে প্রায় ৫ কিলোমিটার এলাকা দখল করে মাছ চাষ করছেন এক আওয়ামী লীগ নেতা, এমনটিই অভিযোগ স্থানীয়দের।

এই বিষয়ে গত আগস্ট মাসের শেষের দিকে যমুনা টেলিভিশনের সচিত্র প্রতিবেদন প্রকাশ করলেও বহাল তবিয়তে রয়েছে। নতুন করে আকাশ বন্যায় তলিয়ে গেছে ধান্যরোপণ ক্ষতিগ্রস্ত হস্তে হাজার হাজার কৃষক। খাল দখলের ঘটনায় জলাবদ্ধতা দেখা দিয়েছে আশেপাশের গ্রামগুলোতে। এছাড়া খালে বাগদা চিংড়ি চাষের জন্য স্লুইস গেট খুলে খালটিতে নদীর লোনা পানি প্রবাহিত করা হচ্ছে বলেও অভিযোগ এলাকাবাসীর। যার বিরূপ প্রভাব পড়েছে গাছপালা ও ফসলি জমিতে। দেখা দিয়েছে বিশুদ্ধ খাবার পানি সংকট।

উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কাছে অভিযোগ করেও রাজনৈতিক প্রভাবের কারণে কোন লাভ হয়নি বলে জানালেন স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের ইউপি সদস্য। তবে আওয়ামী লীগ নেতা শহিদুল ইসলাম খাল দখলের ঘটনা অস্বীকার করে বলেছেন সরকারের কাছ থেকে তিনি ইজারা নিয়েছেন।

কালীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার খন্দকার রবিউল ইসলাম বলেছেন, ওই এলাকায় তদন্ত করে দেখা হয়েছে এবং সরকারের খালগুলো নেট পাটা অপসারণ করা হয়েছে। কিছু ইজারা দেওয়া আছে সেই কারণে যদি অসুবিধা হয় তাহলে এলাকায় বাসি লিখিতো দিলে ইজারা বাতিল করে দেওয়া হবে বা পরবর্তীতে আর ইজারা দেওয়া হবে না।