ডেস্ক রিপোর্টঃ তৃতীয় ধাপে আসন্ন ২৮ নভেম্বর সাতক্ষীরার কালীগঞ্জ উপজেলার রতনপুরে ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচন। এই নির্বাচনে শেষ মুহূর্তে প্রচার প্রচারণা চালাতে ভোটারদের দ্বারে দ্বারে ঘুরছেন প্রার্থীরা। কিন্তু ইউনিয়নের ভোটারদের মনের চাওয়া সততার সঙ্গে ইউনিয়নের উন্নয়নে কাজ করবে এমন এক জন প্রার্থী জয়ী হোক।

শেষ মুহুর্তের প্রচার প্রচারণায় ভোটারদের দ্বারে দ্বারে ঘুরছেন প্রার্থীরা, ক্ষমতাসীন দলের প্রার্থীর প্রচার প্রচারণার পাশাপাশি স্বতন্ত্র প্রার্থীরাও প্রচার প্রচারণা চালাচ্ছেন। মাঝে মধ্যে পোস্টার ছেঁড়ার খবর পাওয়া গেলেও প্রার্থীদের অভিযোগ করতে শোনা যায়নি। তাছাড়া নির্বাচনের উৎসবের আমেজ রয়েছে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের শেষ মুহূর্তের প্রচারণায়।

নির্বাচন অফিস সূত্রে জানা যায়, রতনপুর ইউনিয়ন মোট ভোটার ১৯২১৫ জন এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ৯৩৯৮ জন।

তফশিল ঘোষণা শেষে প্রতীক বরাদ্দের পরপরই মধ্যরাত পযর্ন্ত ইউনিয়নের অলিতে গলিতে মাইক দিয়ে প্রার্থীদের প্রচারণার কাজ চলছিল। আবার প্রত্যেকটি পাড়া মহল্লায় ঝুলছে তাদের ছবি যুক্ত পোস্টার। সকল ভোটারদের বাড়িতে গিয়ে নানা ধরনের প্রতিশ্রুতি দিচ্ছেন ইউপি চেয়ারম্যান ও সদস্য সদস্যা প্রার্থীরা।

এই এলাকার এক ভোটার বলেন, এ বছর প্রথম ভোটার হয়েছি তবে এর আগের নির্বাচন গুলোও দেখেছি। অনেকেই নির্বাচনের আগে নানা ধরনের আশ্বাস দেন কিন্তু ভোটে জয় পাওয়ার পর আর কোন খোঁজ খবর থাকে না, সে জন্য এবার বুঝে শুনে এক জন সৎ প্রার্থীকে নির্বাচিত করবো।

আরও একজন নারী ভোটার বলেন, কোন প্রার্থীর কাছে কোন সময় টাকা পয়সার জন্য যাবো না, তবে যেই নির্বাচত হোক তার কাছে একটাই প্রত্যাশা তারা যেন ইউনিয়নের উন্নয়নের কথা ভেবে কাজ করেন।

একজন দিন মজুর বলেন, নির্বাচন এলে ইউনিয়ন চেয়ারম্যান ও ইউপি সদস্য প্রার্থীদের দেখা যায়, নির্বাচন শেষ হলে আর দেখা মিলে না তাদের, তখন তারা ভোটে জিতে ভগবান হয়ে যায়। আমরা যারা সাধারণ ভোটার তারা ময়লার ভাগাড়ে পরিণত হই, আর এ কারণে আমাদের ভোটের প্রতি দিন দিন অনিহা জন্মাচ্ছে।

এ দিকে ইউপি চেয়ারম্যান পদে ক্ষমতাসীন দলের প্রার্থী (নৌকা প্রতিক) সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান আশরাফুল আলম খোকন এর ছোট ভাই আলিম আল রাজি টোকন দলীয় নেতা কর্মী ও আম জনতাকে নিয়ে নানা স্থানে উঠান বৈঠক ও বাজার পাড়া মহল্লায় গিয়ে ভোট প্রার্থনা করেন। এছাড়া প্রতিপক্ষ শক্তিশালি স্বতন্ত্র প্রার্থী আনারস প্রতীক নিয়ে লড়বেন সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আব্দুল ওহেদ। তিনিও প্রচার প্রচারণা জোরেশোরেই চালিয়ে যাচ্ছেন। এছাড়া আনোয়ার হোসেন নামে আরও একজন ইউপি চেয়ারম্যান পদে লড়ছেন। তবে জয়ের আশা করছেন সবাই। কেউ কাউকে ছাড় দিতে নারাজ। ২৮ তারিখের সন্ধ্যায় বিজয়ের হাসি হাসবেন তারা, জেতবে যারা।