নীলাকাশ টুডেঃ মনোয়ার হোসেন ডিপজল। ঢাকাই চলচ্চিত্রে সবাই এক নামে চেনেন এই খল অভিনেতাকে। আরও একটি পরিচয় তিনি দীর্ঘদিন ধারন করেছেন। ঢাকা সিটি কর্পোরেশনের একাধিকবার নির্বাচিত কমিশনার ছিলেন বর্ষীয়ান এই অভিনেতা। একটা সময় জনপ্রতিনিধিত্বের সঙ্গে রাজনীতিও করেছেন।

বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির নির্বাচনেও তার বড় ভূমিকা থাকে। এসব কারণে অক্টোবর-নভেম্বরে অনুষ্ঠেয় এবারের শিল্পী সমিতির নির্বাচনে ডিপজলের অংশগ্রহণ নিয়ে গুঞ্জন রয়েছে। শোনা যাচ্ছে তিনি সভাপতি পদে নির্বাচন করতে যাচ্ছেন।

সম্প্রতি বিভিন্ন গণমাধ্যমে খবর প্রকাশিত হয়েছে, চিত্রনায়ক জায়েদ খানের প্যানেলে নির্বাচন করতে যাচ্ছেন চলচ্চিত্রের জনপ্রিয় এই খল অভিনেতা। জায়েদ খানের প্যানেলের সভাপতি মিশা সওদাগর এবার ভোট করছেন না এমন কথাও শোনা যাচ্ছে। এর বিপরীতে শক্ত প্যানেল দিচ্ছেন নায়ক শাকিব খান ও নায়িকা নিপুণ।

তবে ডিপজল নির্বাচন করার গুঞ্জন নাকচ করে দিয়েছেন। বলেছেন, শুধু শিল্পী সমিতি কেন, জীবনে আর কোনো নির্বাচনেই অংশ নেবেন না।

‘আমি নির্বাচন করুম আর আমিই জানি না, এইডা কেমুন কথা? আমার সঙ্গে কেউ কথা না কইয়া খবর প্রকাশ করে ক্যামনে, আমার সঙ্গে কথা কইলেই তো জিনিসটা দিনের মতও পরিস্কার হইতো।’

কেন নির্বাচন করবেন না গণমাধ্যমের এমন প্রশ্নের জবাবে ডিপজল বলেন, আমার শরীর ভালো না। ওপেন হার্ট সার্জারি করাতে হয়েছে। চোখেও অস্ত্রোপচার করাতে হয়েছে। শরীর এখনও ফিট হয় নাই। তাই এখন আর নির্বাচনের চিন্তা নেই। শিল্পী সমিতি শুধু না, কোনো নির্বাচনেই অংশ নেব না।

সংসদ নির্বাচন করার চিন্তা ছিল জানিয়ে ডিপজল বলেন, ভাবছিলাম সংসদ নির্বাচন করুম, কিন্তু এখন আর কোনো পরিকল্পনা নাই। আমার শরীরটা ভালো না। ভালো হইলেও নির্বাচন করুম না। আমার জন্য দোয়া করবেন।

নায়িকা পরীমনি আটকের ঘটনায় ডিপজলকে এফডিসিতে দেখা গিয়েছিল। সাংবাদিকদের সঙ্গে কথাও বলেছিলেন তিনি। পরীমনি প্রসঙ্গে তিনি নিরপেক্ষ অবস্থানে থেকে বক্তব্য দেন।

আরও পড়ুন

রিকশাচালক থেকে তিন বাড়ির মালিক মনির স্ত্রীসহ গ্রেফতার

নীলাকাশ টুডেঃ

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় রিকশাচালক থেকে হঠাৎ করে তিনটি বাড়ির মালিক বনে যাওয়া সেই মনির হোসেন ও তার স্ত্রী রহিমা বেগম চম্পাকে ইয়াবাসহ গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

গত ৫-৬ বছরে যেন পেয়েছেন আলাদিনের চেরাগ। রিকশাচালক থেকে মালিক হয়েছেন তিনটি বাড়ির। এছাড়াও রয়েছে তার মালিকানাধীন অনেক জমিজমা। কিন্তু তার এ অর্থবিত্তের মালিক হওয়ার বিষয়টি ছিল অনেকটা ‘ওপেন সিক্রেট’।

তাদের বৃহস্পতিবার ব্রাহ্মণবাড়িয়া আদালতের মাধ্যমে জেলা কারাগারে প্রেরণ করা হয়েছে।

বুধবার নিজ বাড়ি থেকে মনির হোসেন ও তার স্ত্রী রহিমা বেগম ওরফে চম্পাকে ২০০ পিস ইয়াবাসহ গ্রেফতার করেছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর। এছাড়া এই দম্পতির কাছে মাদক সরবরাহ করতে এসে আটক হয়েছেন আরেক চিহ্নিত মাদক কারবারি বানেছা বেগম (৪৮)।

মনির হোসেন সেমন্তঘর গ্রামের মৃত মনা মিয়ার ছেলে ও পৌর এলাকার গোকর্ণঘাটের বাসিন্দা। আর গ্রেফতার বানেছা বেগম ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদরের দক্ষিণ পৈরতলার মৃত হুমায়ুন মিয়ার স্ত্রী।

স্থানীয়রা জানান, গত ৮-৯ বছর আগেও রিকশা চালিয়ে সংসার চালাতেন মনির হোসেন। স্ত্রী রহিমা বেগমকে নিয়ে বসবাস করতেন পৌর এলাকার গোকর্ণঘাট গ্রামে। প্রায় ছয় বছর আগে মাদক ব্যবসায় জড়িয়ে পড়েন এই দম্পতি। গোকর্ণঘাট ও ছয়বাড়িয়া গ্রামে তাদের এখন তিনটি বাড়ি রয়েছে। মাদক ব্যবসায়ী ও বিভিন্ন মানুষের আনাগোনায় স্থানীয়রা তাদের মাদক ব্যবসার বিষয়টি জানতে পারেন। যথাযথ প্রমাণ না থাকায় একাধিকবার মনির ও রহিমা দম্পতিকে ধরার চেষ্টা করেও ব্যর্থ হয় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের ব্রাহ্মণবাড়িয়া সার্কেলের সহকারী পরিচালক মিজানুর রহমান জানান, মনির ও চম্পা দম্পতিকে বুধবার সকালে ইয়াবাসহ গ্রেফতার করা হয়। বিকালে মাদক নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা করার পর তাদের সদর মডেল থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে এলাকায় অভিযোগ ছিল।

আরও পড়ুন

১০ বছরে বউ পালালো ২৫ বার!

নীলাকাশ টুডেঃ স্বামীর ঘর ছেড়ে ২৫ বার পালিয়েছেন। প্রত্যেকবারই নতুন প্রেমিকের হাত ধরে। তবু স্ত্রী হিসেবে তাকেই গ্রহণ করতে চান স্বামী।

ভারতের আসামের নওগাঁ জেলার বাসিন্দা ওই মহিলা ও তার স্বামীর দাম্পত্য জীবন ১০ বছরের। তিন সন্তানও আছে তাদের। যার মধ্যে ছোটজনের বয়স তিন মাস। গত ৪ সেপ্টেম্বর তিন মাসের ওই শিশুটিকে প্রতিবেশীর বাড়িতে রেখে চলে যান ওই মহিলা। খবর, আনন্দবাজার।

শ্বশুরের অভিযোগ, এই নিয়ে ২৫ বার বাড়ি ছেড়ে পালিয়েছেন তার পুত্রবধূ। আর প্রতি বারই তিনি ঘর ছেড়েছেন নতুন প্রেমিকের সঙ্গে। সাথে ২২ হাজার টাকা এবং দামি গয়নাও নিয়ে গিয়েছেন বলে অভিযোগ করেছেন তার স্বামী।

মহিলার স্বামী গ্যারেজে কাজ করেন। বাসায় ফিরে এসেই দেখেন স্ত্রী ও তার ছোট শিশুটি বাড়িতে নেই। খোঁজ নিয়ে জানতে পারেন এক প্রতিবেশীর বাড়িতে শিশুটিকে রেখে গিয়েছেন তার স্ত্রী। ছাগলের খাবার আনতে যাচ্ছেন বলে তিনি শিশুটিকে রেখে যান। তার পর আর ফেরেননি।

যদিও এর পরও স্ত্রী আগের মতো ফিরে এলে তাকে মেনে নেবেন বলে জানিয়েছেন ওই ব্যক্তি।