নীলাকাশ টুডেঃ মালদ্বীপের ‌’মেসি’ আলী আশফাক। দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম সেরা ফুটবলার বলা হয় তাকে।

নিজ দেশে এই ফুটবলার এতোটাই জনপ্রিয় যে অবসরে নিতে গিয়েও সতীর্থ ও সমর্থকদের অনুরোধে মাঠ ছাড়তে পারেননি। এখন তার বয়স ৩৬ বছর, তবুও টগবগে তরুণদের হার মানায় আলী আশফাকের পারফরম্যান্স।

২২ গোল করে সাফের আসরে সর্বোচ্চ এই গোলদাতাকে প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল বাংলাদেশের দল বসুন্ধরা কিংস থেকে। কিন্তু সেই প্রস্তাবে সাড়া দেননি আলী আশফাক।

বাংলাদেশে খেলতে কেন আগ্রহ দেখাননি সেই প্রশ্নের জবাবে অদ্ভূত এক কারণ দেখালেন আলী আশফাক। জানালেন, বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকায় জ্যামের কারণে ঘণ্টার পর ঘণ্টা রাস্তায় কাটিয়ে দেয় মানুষ। এমন জ্যামের শহরে আসতে মন সায় দেয়নি তার।

দেশের এক গণমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে এমনটাই জানালেন মালদ্বীপ দলের গোলমেশিন আলী আশফাক।

বললেন, বসুন্ধরার কোচ অস্কার ব্রুজেন (বর্তমানে জাতীয় দলের কোচ) আমাকে বসুন্ধরা কিংসে খেলার প্রস্তাব দিয়েছিল, আমি যাইনি। অস্কারই শুধু আমাকে প্রস্তাব দিয়েছে। বাংলাদেশের কোনো ক্লাব কখনো আমাকে সেভাবে প্রস্তাব দেয়নি।

কিন্তু বাংলাদেশে বসুন্ধরা কিংসে খেললে মালদ্বীপ থেকে অর্থ বহুগুনে বেশি পেতেন – প্রশ্নে আলী আশফাক বলেন, আমি জানি বসুন্ধরায় অনেক অর্থ। এএফসি কাপে খেলতে আসা প্রতি খেলোয়াড়কে অনেক বোনাস দিয়েছে যা আমাদের ক্লাব ও জাতীয় দল কোথাও দেয়া হয় না। কিন্তু আসল কথা কী – অর্থ আমাকে সেভাবে টানে না। তাছাড়া বাংলাদেশে না যাওয়ার কয়েকটি কারণ আছে। প্রথমত আমি পরিবারের সাথে থাকতে চাই। দ্বিতীয়ত বাংলাদেশ অনেক জনবহুল এবং ঢাকা যানজটের শহর। এই যানজটের কারণে আগ্রহ দমে যায়। সব মিলিয়ে অস্কারের প্রস্তাবে সাড়া দিতে পারিনি।

আরও পড়ুন

অভিযানে ৫ ভারতীয় সেনা নিহত

আন্তর্জাতিক টুডেঃ ভারত নিয়ন্ত্রিত জম্মু -কাশ্মীরের পুঞ্চ সেক্টরে অভিযান চলাকালে ভারতের এক সেনা কর্মকর্তাসহ পাঁচ সদস্য নিহত হয়েছেন। সোমবার ভোরে এ হতাহতের ঘটনা ঘটে বলে জানা গেছে।

সামরিক মুখপাত্রের উদ্ধৃতি দিয়ে বার্তা সংস্থা পিটিআই জানিয়েছে, লুকিয়ে থাকা দুর্বৃত্তরা অভিযানকারী দলের ওপর ব্যাপক গুলি বর্ষণ করে। এতে একজন জুনিয়র কমিশন্ড অফিসারসহ অন্য পদমর্যাদায় ৪ জন গুরুতর আহত হন। পরে আহত ওই ৫ সেনার মৃত্যু হয়।

চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি থেকে এখন পর্যন্ত যেসব হামলা হয়েছে তার মধ্যে এটি সবচেয়ে ভয়াবহ বলে ধারণা করা হচ্ছে।

ভারতীয় সেনাবাহিনীর তরফে জানানো হয়েছে, সোমবার ভোরে পুঞ্চ সেক্টরের সুরানকোট এলাকায় সন্ত্রাসবিরোধী অভিযানে নামে সেনা সদস্যরা। সেখানে কয়েকজন ভারী অস্ত্রধারী এলাকাটিতে অবস্থান করছেন গোপন সংবাদের ভিত্তিতেই সেখানে যায় তারা। একপর্যায়ে অস্ত্রধারীদের সঙ্গে তুমুল বন্দুকযুদ্ধ শুরু হয় সেনাদের।

সোমবার সকালেই দু’টি পৃথক ঘটনায় অনন্তনাগ এবং বান্দিপোরায় যৌথবাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষে দুই কাশ্মীরি নিহত হয়।