নীলাকাশ টুডেঃ মুহূর্তের মধ্যে একটা দোতলা বাড়ির আটলান্টিক মহাসাগরে বিলীন হওয়ার দৃশ্য ধরা হয়েছে ক্যামেরায়। সমুদ্র পৃষ্টের উচ্চতা বেড়ে যাওয়ায় বাড়ির ভিত দুর্বল হয়ে বাড়িটি মুহূর্তের মধ্যে আটলান্টিক মহাসাগরে তলিয়ে যায় বলে গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।

আর্জেন্টিনার রাজধানী বুয়েনেস এইরেসের মার ডেল টুয়ু এলাকায় আটলান্টিক মহাসাগরের উপকূল ২৮ জুলাই এ ঘটনা ঘটেছে।
ভাইরাল ওই ভিডিওতে দেখা গেছে, সমুদ্রের ঢেউ বার বার বাড়িটির গায়ে আছড়ে পড়ছে। এক সময় ঢেউয়ের ক্রমাগত আঘাতে ভিত দুর্বল হয়ে বাড়িটি ভেঙে পড়ে।

স্থানীয় বাসিন্দারা বাড়িটি ভেঙে পড়ার ভিডিও ক্যামেরায় ধারণ করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পোস্ট করলে তা ভাইরাল হয়।

তবে ভেঙে পড়ার সময় বাড়ির ভেতরে কেউ না থাকায় এতে হতাহতের ঘটনা ঘটেনি বলে জানিয়েছে পুলিশ।

আরও পড়ুন

শ্যামনগরে মিনি সুন্দরবনের শতাধিক গাছ কর্তনের অভিযোগ

নিজেস্ব প্রতিনিধিঃ শ্যামনগর উপজেলার রমজাননগর ইউনিয়নের সোরা মিনি
সুন্দরবনে আবারও গাছ কর্তন করার অভিযোগ উঠেছে। রমজাননগর ইউনিয়নের সোরা
গ্রামের সেফা মোল্যার পুত্র মজিদ মোল্যা , মনোহর মোল্যার পুত্র মুছা মোল্যার বাড়ী থেকে এবং ঘেরের রাস্তা থেকে এ কর্তনকৃত গাছ গুলো জব্দ করা
হয়। অত্র ইউনিয়ন পরিষদের দফাদার আব্দুল মান্নান বলেন , গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সোরা মিনি সুন্দরবন রক্ষা কমিটির সাধারণ সম্পাদক সাংবাদিক নূরুন্নবী ইমন, কোষাধ্যক্ষ সাংবাদিক জি, এম, মহাসীন হুদাসহ আমি শনিবার
বিকাল ৪ টায় উপস্থিত হয়ে চেয়ারম্যান শেখ আল মামুনের নির্দেশক্রমে কর্তনকৃত গাছগুলো জব্দ করে ইউনিয়ন পরিষদে প্রেরন করি এবং কিছু
কর্তনকৃত গাছ ওয়াব্দার রাস্তার উপরে আছে।

রাস্তা কাঁদা থাকায় পরিষদে নিয়ে যাওয়া সম্ভব হয়নি। জানা যায়, সোরা মিনি সুন্দরবনটি বহু পূর্বে
এলাকার প্রয়াত মুনছুর গাজীসহ কিছু মানুষের সার্বিক প্রচেষ্টায় বনায়ন সৃষ্টি হয়। গাছগুলো ধীরে ধীরে বড় হওয়ায় পরে এলাকার চিহ্নিত কয়েকজন ব্যক্তি প্রতিনিয়ত গাছ কর্তন করা শুরু করে। তাছাড়া এক শ্রেনীর ব্যক্তি গরু/ ছাগলের পাতা খাওয়ানোর অযুহাতে মিনি সুন্দরবনে প্রবেশ করে গাছের ডাল ভাঙ্গে। দিনের পর দিন তারা অপরাধ করে আসলেও কোন প্রকার শাস্তি বা আইনি পদক্ষেপ গ্রহন না হওয়ায় এ ভাবে উজার হচ্ছে সোরা মিনি সুন্দরবন। এ বিষয়ে
রমজাননর ইউ,পি চেয়ারম্যান শেখ আল মামুন বলেন , সংবাদ পেয়ে আমি ঘটনাস্থলে
লোক পাঠিয়ে কর্তনকৃত গাছগুলো জব্দ করে ইউনিয়ন পরিষদে নিয়ে এসেছি।
উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের সাথে আলোচনা করে পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে। বিষয়টি নজরে নিয়ে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য উপজেলা প্রশাসনের
হস্তক্ষেপ কামনা করছেন এলাকাবাসী।