বিনোদন টুডেঃ মঞ্চ ও টেলিভিশনের অভিনেতা হিসেবেই বেশি পরিচিত শহীদুজ্জামান সেলিম। তবে অভিনয়গুণে চলচ্চিত্রেও নিজেকে চিনিয়েছেন। পেয়েছেন জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার। প্রযোজক-পরিচালকেরাও যখনই চ্যালেঞ্জিং চরিত্রের অভিনয়শিল্পী খোঁজেন, তখনই শহীদুজ্জামানের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। আবার টেলিভিশন নাটকের পরিচালকেরা, যাঁরাই চলচ্চিত্র বানাচ্ছেন, তাঁরাও এই অভিনয়শিল্পীকে তাঁদের চলচ্চিত্রে যুক্ত রাখতে চান। সেই ধারাবাহিকতায় এবার নতুন আরেকটি চলচ্চিত্রে শহীদুজ্জামান সেলিমকে দেখা যাবে। ‘লিডার: আমিই বাংলাদেশ’ নামের এই ছবি বানাচ্ছেন তপু খান।

‘লিডার: আমিই বাংলাদেশ’–এ শহীদুজ্জামান সেলিম একজন মন্ত্রী। এফডিসিতে এক দিন শুটিংও করেছেন। বাকি আছে দুই দিনের শুটিং। এই অভিনয়শিল্পী বললেন, ‘দেশের সমসাময়িক সমস্যার একটা চিত্র আঁকার চেষ্টা করেছেন পরিচালক। এই সিনেমার পরিচালক তপু খান বেশ কয়েক বছর টেলিভিশনে নাটক বানিয়ে হাত পাকিয়েছেন। সাধারণত টেলিভিশন নাটকের তরুণ পরিচালকদের মধ্যে যাঁরা চলচ্চিত্র বানাতে আসেন, তাঁদের চাওয়া থাকে আমরা যেন থাকি।’

‘লিডার: আমিই বাংলাদেশ’–এ তাঁর সহ–অভিনেতা শাকিব খান। গত বছরও শাকিব খান আর শহীদুজ্জামান সেলিম ‘নবাব এলএলবি’ নামের একটি সিনেমায় অভিনয় করেছেন। কয়েক দিন আগে ছবিটি দেশের প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পায়। লকডাউনে প্রেক্ষাগৃহ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় দর্শকেরা ছবিটি দেখা থেকে বঞ্চিত হয়েছেন। তবে শহীদুজ্জামান সেলিম বললেন, ‘ছবি ভালো হলে যখনই মুক্তি পাবে, দর্শক দেখবেন। এই ছবি ওটিটিতে রিলিজ দিয়েছে, সেখানেও সাড়া ফেলেছে। এই করোনার মধ্যে সিনেমা হলে মুক্তির পর ছবিটি দেখার জন্য দর্শকের সাড়া ছিল চোখে পড়ার মতো।’

নতুন সিনেমায় শুটিং বিষয়ে শহীদুজ্জামান সেলিম বলেন, ‘টিমটা তারুণ্যনির্ভর। গতি আছে, স্বপ্ন আছে—আমার বিশ্বাস, সুন্দর কিছু একটা দর্শকেরা পাবেন।’ এদিকে ‘লিডার: আমিই বাংলাদেশ’ সিনেমার পরিচালক তপু খান বললেন, ‘আমাদের এই সিনেমার গল্প চূড়ান্ত হওয়ার পর থেকেই এই চরিত্রের জন্য একটা নামই মাথায় ঘুরছিল—তিনি শহীদুজ্জামান সেলিম ভাই।’

‘লিডার: আমিই বাংলাদেশ’ সিনেমায় শাকিব খানের বিপরীতে অভিনয় করেছেন শবনম বুবলী। প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান আরটিভি সূত্রে জানা গেছে, এই সিনেমার বেশির ভাগ শুটিং এরই মধ্যে শেষ হয়েছে। আর ১০ দিনের শুটিং হলেই পুরো সিনেমার কাজ শেষ হবে।

আরও পড়ুন

বিধ্বস্ত হওয়া সেই বিমান থেকে সর্বশেষ যে কয়জনের লাশ উদ্ধার হল

নীলাকাশ টুডেঃ

৯২ জন আরোহী নিয়ে বিধ্বস্ত হওয়া ফিলিপাইনের সামরিক বিমান থেকে ১৭ জনের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে।

স্থানীয় সময় রোববার বেলা সাড়ে ১১টায় দেশটির দক্ষিণাঞ্চলীয় সুলু প্রদেশের জলো দ্বীপে অবতরণ করার সময় সি-১৩০ বিমানটি বিধ্বস্ত হয়।

গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আসা ছবিতে দেখা গেছে, দেশটির দক্ষিণাঞ্চলীয় সুলু প্রদেশের পাতিকুল এলাকায় চারপাশে গাছের মধ্যে পড়ে থাকা বিমানটির ভগ্নাবশেষ আগুন ও ধোঁয়ায় ঢেকে আছে।

নিউইয়র্ক টাইমসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এ পর্যন্ত ১৭টি মৃতদেহ পাওয়া গেছে এবং মৃতের সংখ্যা আরও বাড়বে, এমন ধারণা করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় একজন কমান্ডার।

ফিলিপিন্সের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ডেলফিন লোরেনজানা রয়টার্সকে জানিয়েছেন, প্রাথমিক প্রতিবেদনগুলো অনুযায়ী বিমানটিতে তিন পাইলট ও পাঁচ ক্রু সদস্যসহ মোট ৯২ জন আরোহী ছিলেন।

দেশটির সশস্ত্র বাহিনীর প্রধান জেনারেল সিরিলিতো সোবেহানা জানিয়েছেন, সুলু প্রদেশের জলো দ্বীপে অবতরণ করার সময় বিমানটি বিধ্বস্ত হয় আর সেখান থেকে এ পর্যন্ত অন্তত ৪০ জনকে উদ্ধার করে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে।

আরও পড়ুন

সাতক্ষীরায় করোনা আক্রান্ত ব্যক্তির আত্মহত্যা!

নীলাকাশ টুডেঃ সাতক্ষীরার কলারোয়া উপজেলায় চিরকুট লিখে পারিবারিক আইসোলেশনে থাকা করোনা আক্রান্ত এক ব্যক্তি গলায় দড়ি দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। শনিবার সকালে উপজেলার ইলিশপুর গ্রামের নিজ বাড়ি থেকে পুলিশ তার লাশ উদ্ধার করেছে।

মৃতের নাম শেখ আজগার আলী (৫৫)। তার বাবার নাম শেখ জালাল উদ্দিন।

করারোয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মীর খায়রুল কবীর বলেছেন, সম্প্রতি নমুনা পরীক্ষায় ফল করোনা পজেটিভ আসায় বাড়িতে আইসোলেশনে ছিলেন আজগার আলী। শনিবার সকালে নিজ ঘরের মধ্যে আজগারকে ঝুলন্ত অবস্থায় থেকে স্বজনরা পুলিশে খবর দেয়। পুলিশ তার লাশ উদ্ধার করে। তার বিছানায় পাওয়া একটি চিরকুটে লেখা আছে “ তার মৃত্যুর জন্য কেউ দায়ী নয়।

পারিবারিক আবেদনে স্বাস্থ্যবিধি মেনে তার লাশ দাফনের অনুমতি দেওয়ার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, দীর্ঘদিন ধরে বাড়িতে ছেলে ও পুত্রবধুদের সঙ্গে অশান্তি লেগেই থাকতো আজগার আলীর। করোনা পজেটিভ হওয়ায় সেই অশান্তি আরো বেড়ে যায়। হয়তো সে কষ্ট সহ্য করতে না পেরে তিনি আত্মহত্যা করেছেন।