নীলাকাশ টুডেঃ বিল গেটসের নিট সম্পদের পরিমাণ ১৩ হাজার ৫৪০ কোটি ডলার। এটা ফোর্বস সাময়িকীর সম্পদশালীদের তালিকায় আজ রোববার সকাল ৯টার হিসাব। প্রতিদিন যদি তিনি এক কোটি ডলার করে খরচ করেন, তবে ১৩ হাজার ৫৪০ দিন, অর্থাৎ ৩৭ বছরের বেশি লাগবে সে টাকা ফুরাতে। বাংলাদেশী মুদ্রায় দৈনিক এক শত কোটি টাকা ব্যয় করলে কমপক্ষে ৩ হাজার বছর ধরে ব্যয় করতে হবে।

তবে বিল গেটস বা বিলিয়নিয়ারদের সূচকে অন্য যাঁদের সম্পদের হিসাব দেখানো হয়, তা নিট সম্পদের পরিমাণ। মোট সম্পদ ও মোট দায়ের ব্যবধান। সেই সম্পদ কেবল নগদ অর্থ নয়। বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের শেয়ার আছে, জমি কেনা আছে, বাড়িঘর আছে, ঘরের ঘটিবাটির সম্ভাব্য দামও হয়তো অন্তর্ভুক্ত আছে। এত কথার অর্থ হলো, তিনি চাইলেই এক দিনের নোটিশে সব সম্পদ নগদ অর্থে রূপান্তর করতে পারবেন না। তবু আমরা যেহেতু খাতা- কলম নিয়ে বসেছি, হিসাবটা কষেই ফেলি চলুন।

আগেই বলা হয়েছে, মাইক্রোসফট সহপ্রতিষ্ঠাতা বিল গেটসের নিট সম্পদ ১৩ হাজার ৫৪০ কোটি ডলারের। বাংলাদেশি মুদ্রায় তা ১১ লাখ ৫৯ হাজার ৭০১ কোটি টাকা (বাংলাদেশ ব্যাংকের গতকালের হিসাব অনুযায়ী ডলারপ্রতি ৮৫ টাকা ৬৫ পয়সা ধরে)।

এবার চলুন পৃথিবীর মোট জনসংখ্যার পরিমাণ জানা যাক। জাতিসংঘের পপুলেশন ডিভিশনের ওয়েবসাইটে সর্বশেষ ২০১৯ সালের প্রতিবেদন পাওয়া যায়। সেখানে ২০২০ সালে পৃথিবীর মোট জনসংখ্যার প্রাক্কলন দেওয়া আছে ৭৭৯ কোটি ৪৭ লাখ ৯৮ হাজার ৭২৯ জন। যেহেতু সর্বশেষ নির্ভরযোগ্য তথ্য সেটাই, চলুন আমরা তা দিয়েই হিসাব কষি।

বিল গেটসের নিট সম্পদের পরিমাণকে পৃথিবীর মোট জনসংখ্যা দিয়ে ভাগ করলে পাওয়া যায় ১ হাজার ৪৮৭ টাকা ৭৮ পয়সা। ২০২১ সালে এসে মানুষ যদি কিছুটা বাড়ে তবে সে পরিমাণ আরও কমবে।

যাহোক, হিসাব কষা শেষ। এবার চলুন নিজ নিজ কাজে মনোযোগ দিই। দু-চার পয়সা রোজগার করার সেটাই বোধ হয় এক মাত্র উপায়।

সেনাবাহিনীর সহযোগিতায় খালের অবৈধ স্থাপনা গুঁড়িয়ে দেব

নীলাকাশ টুডেঃ ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) মেয়র মোঃ আতিকুল ইসলাম খালে বর্জ্য নিক্ষেপকারীদেরকে সিসি ক্যামেরার মাধ্যমে চিহ্নিত করে তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে জানিয়েছেন।

শনিবার রাজধানীর মোহাম্মদপুর এলাকায় ‘দশটায় দশ মিনিট প্রতি শনিবার, নিজ নিজ বাসাবাড়ি করি পরিষ্কার’ স্লোগান বাস্তবায়ন এবং রামচন্দ্রপুর খাল পরিস্কার- পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম সরেজমিনে পরিদর্শন কালে তিনি এই তথ্য জানিয়েছেন।

ডিএনসিসি মেয়র বলেছেন, খালটির দুই পাড়ের বেশ কয়েকটি ভবন পরিদর্শন কালে সেগুলোর কোনোটিতেই সেপটিক ট্যাংক কিংবা সোক ওয়েল খুঁজে পাওয়া যায়নি। তাই সেপটিক ট্যাংক বিহীন ভবনগুলোতে আগামী ৬ মাসের মধ্যে কার্যকর সেপটিক ট্যাংক নিশ্চিত করতে না পারলে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

তিনি বলেন, অপরিকল্পিত ঢাকার অধিকাংশ ভবনেই কার্যকর সেপটিক ট্যাংক ও সোক ওয়েল না থাকায় অপরিশোধিত পয়ঃবর্জ্য সরাসরি ড্রেন কিংবা খালে পতিত হওয়ায় জলাশয়ের পানিসহ সার্বিক পরিবেশ দূষিত হচ্ছে।

আতিক বলেন, খাল কোনো ডাস্টবিন নয়, ময়লা- আবর্জনা, বর্জ্য নিক্ষেপের স্থান‌ও নয়, এটি জলাধার। তাই কোনো সচেতন নাগরিক খাল কিংবা অন্য কোনো জলাশয়ে বর্জ্য নিক্ষেপ করতে পারে না।

ডিএনসিসি মেয়র বলেন, নগরীর বাসাবাড়িগুলোতে আধুনিক সেপটিক ট্যাংক ও সোক ওয়েল স্থাপন করতে হবে এবং পরিশোধন ব্যবস্থা সচল রাখতে হবে।

তিনি বলেন, ডেভেলপার কোম্পানিগুলোকেও বিল্ডিং ডেভেলাপ করার পাশাপাশি বর্জ্য ব্যবস্থাপনার জন্য‌ কার্যকর ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে।

আতিক বলেন, আগামী নভেম্বর মাসের মধ্যেই বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সহযোগিতায় ডিএনসিসি এলাকায় খালগুলোর সীমানা নির্ধারণ করা হবে।অবৈধভাবে খাল দখল করে যেসব স্থাপনা নির্মিত হয়েছে সেগুলো ভেঙে গুঁড়িয়ে দেওয়া হবে। বিনা নোটিশেই অবৈধ দখলদারদেরকে উচ্ছেদ করা হবে।