মোঃ মিরাজুল শেখ,
জেলা প্রতিনিধি বাগেরহাটঃ

বাগেরহাটে জয়ীতার সম্মানী নিয়ে নানা তালবাহানা শুরু হয়েছে। গত ৯ নভেম্বর খুলনায় অনুষ্ঠিত জেলার শেষ্ঠ জয়ীতাদের সংবধনা দেওয়া হয়। এ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রনালয়ের প্রতিমন্ত্রী ফজিলাতুন নেসা ইন্দিরা এমপি। এসময় জেলার শেষ্ঠ জয়ীতাদের প্রত্যেককে নগদ পাঁচ হাজার টাকা, সনদ পত্র ও ক্রেষ্ট প্রদান করা হয়।

বাগেরহাট থেকে যে সকল জয়ীতা সম্মননা পেয়েছে তাদের মধ্যে অনেককে শুধু ক্রেষ্ট ও সনদপত্র দেওয়া হয়েছে। ঐ সময় টাকা দেয়নি উপ পরিচালক নাজমুন নাহার। এমনই অভিযোগ ভুক্তভোগীদের।

এদিকে সফল জননী নারী হিসাবে জয়ীতা সম্মাননা পেয়েছেন শরন খোলার গোলেনূর বেগম তিনি ঢাকায় থাকার কারনে তার বোন ক্রেষ্ট ও সনদ পত্র গ্রহন করেছেন আর টাকা গ্রহন করেছেন উপ পরিচালক নাজমুন নাহার। একটি নির্ভর যোগ্য সূত্র জানায়, তৎকালিন উপ পরিচালক নাজমুন নাহার তিনজনের পনের হাজার টাকা গ্রহন করেন। পরবতীতে তাদের টাকা তাদের হাতে না পৌছালে অধিদপ্তরের অতিরিক্ত সচিব ওয়াহিদুজ্জামানের হস্তক্ষেপে গোলেনূর বেগম এর টাকা শরণখোলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা আঃ হাই এর বিকাশ নম্বরে প্রেরন করেন। বাকী দুই জনের টাকা এরিপোর্ট লেখা পর্যন্ত (বুধবার রাত ৮ টা) জয়ীতা বিজয়ীদের হাতে পৌছায়নি।

এবিষয়ে মংলা উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা ইশরাৎ জাহান জানান, আমার উপজেলার শামিমা ইয়াসমিন উপস্থিত না হওয়ার কারনে ওনার ক্রেষ্ট ও সনদপত্র আমি গ্রহন করেছি আর নগদ পাঁচ হাজার টাকা আমাদের উপ পরিচালক নাজমুন নাহার ম্যাডাম স্বাক্ষর দিয়ে গ্রহন করেছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক সূত্র জানায়, ৮ নভেম্বর সকাল দশটায় খুলনায় অনুষ্ঠিত মা ও শিশু সহায়তা কর্মসূচির অবহিত করন কর্মশালায় অংশ গ্রহন কারীদের সম্মানী ভাতা বাবদ ১৮০০ টাকা প্রদান করেন।

সূত্রটি জানায় সাতক্ষীরা, নড়াইল ও যশোর থেকে যে সকল উপজেলা কর্মকর্তারা এসেছে প্রত্যেক কে সম্মানী ভাতা প্রদান করা হয়েছে। বাগেরহাটের কর্মকর্তাদের কোন সম্মানী দেওয়া হয়নি। এবিষয়ে শরণখোলা উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা আঃ হাই জানান, আমরা টাকাটি পাব তবে বিল করে জেলা অফিস থেকে নিতে বলেছেন উপপরিচালক নাজমুন নাহার ম্যাডাম।