নীলাকাশ টুডেঃ ভারতে প্রেম প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছিলেন ২১ বছরের তরুণী। প্রতিশোধ নিতে তরুণীর বাড়িতে ‘সেক্স টয়’ পাঠিয়েছিলেন। এর পর তরুণীর ফোন নম্বর পর্ন সাইটে আপলোড করেন। ঘটনার মাস খানেক পর অভিযুক্তকে গ্রেফতার করল মুম্বই পুলিশ। অভিযুক্তের নাম কুণাল অঙ্গলকার।

পুলিশ সূত্র ও আনন্দ বাজার পত্রিকা জানিয়েছে, অভিযুক্ত কুণাল মাসখানেক ধরেই ওই তরুণীর বাড়িতে ‘সেক্স টয়’ পাঠাচ্ছেন। ই-কমার্স সাইট থেকে ক্যাশ অন ডেলিভারি পদ্ধতিতে তরুণীর বাড়িতে সেগুলি পাঠানো হচ্ছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। ওই তরুণী প্রেমের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করার পর থেকেই এই ঘটনা ঘটেছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

বাড়িতে ‘সেক্স টয়’ আসা নিয়ে ফেব্রুয়ারি মাসে মুম্বইয়ের মালাড থানায় অভিযোগ দায়ের করেন তরুণী। ভারতীয় দণ্ডবিধি এবং তথ্যপ্রযুক্তি আইনে মামলা দায়ের করে পুলিশ। পরে মুম্বই পুলিশের সাইবার ক্রাইম বিভাগে স্থানান্তরিত করা হয় এই মামলা।

মামলা পেয়ে মুম্বইয়ের পুলিশের সাইবার ক্রাইম বিভাগ ক্যুরিয়ার সংস্থার মাধ্যমে অভিযুক্তের বাড়ির ঠিকানা বার করার চেষ্টা করেছিলেন। কিন্তু ক্যুরিয়ার সংস্থাকে নিজের নাম এবং বাড়ির ঠিকানা দেননি অভিযুক্ত। এর পর পুলিশ ভিপিএন সংক্রান্ত তথ্য জোগাড়ের চেষ্টা করে। তা করতে গিয়ে পুলিশ জানতে পারে, প্রতিবারই ‘সেক্স টয়’ পাঠানোর সময় আইপি অ্যাড্রেস পরিবর্তন করেছেন অভিযুক্ত। শেষমেশ প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞদের সহায়তায় অভিযুক্ত কুণালের খোঁজ পায় পুলিশ। তার পর অভিযুক্তকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

আরও পড়ুন

প্রকাশ্যে অস্ত্রবাজি- অস্ত্রসহ পেশাদার এক সন্ত্রাসী গ্রেপ্তার

নীলাকাশ টুডেঃ তিন মাস আগে চট্টগ্রাম নগরের বাকলিয়া এলাকায় কবরস্থানের জায়গা নিয়ে প্রকাশ্যে অস্ত্রবাজির ঘটনায় পেশাদার এক সন্ত্রাসীকে অস্ত্রসহ গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাঁর নাম আলী আকবর। গতকাল শুক্রবার রাতে নগরের চান্দগাঁও এলাকা থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও বাকলিয়া থানার উপপরিদর্শক (এসআই) নিদর্শন বড়ুয়া প্রথম আলোকে বলেন, প্রকাশ্যে অস্ত্রধারীদের গ্রেপ্তারে নিয়মিত অভিযান অব্যাহত আছে। গোপন তথ্যের ভিত্তিতে খবর পেয়ে অস্ত্রধারী আলী আকবরকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাঁর কাছ থেকে একটি এলজি উদ্ধার হয়। ঘটনার দিন তাঁর হাতে উদ্ধার এলজিটি ছিল।

তদন্ত কর্মকর্তা আরও বলেন, আলী আকবরকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে আজ শনিবার আদালতে রিমান্ডের আবেদন করা হয়েছে। তবে শুনানি হয়নি। পরে আদালত আসামিকে কারাগারে পাঠিয়ে দেন। রিমান্ড মঞ্জুর হলে তাঁর কাছ থেকে অস্ত্রটির উৎস সম্পর্কে জানা যাবে।

গত বুধবার প্রথম আলোয় ‘অস্ত্রধারীরা ধরা পড়ে না’ শিরোনামে প্রধান প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। সেখানে অস্ত্রধারীদের মধ্যে আলী আকবরের কথাও বলা হয়।

চট্টগ্রামের বাকলিয়া কালা মিয়া বাজার আবদুল লতিফ হাটখোলা রোডে বড় মৌলভি বাড়ির পারিবারিক কবরস্থানে ‘বিনা মূল্যে কবর দেওয়া হয়’ লেখা সাইনবোর্ড লাগাতে গেলে স্থানীয় সাইফুল্লাহ মাহমুদের পরিবারের ওপর আক্রমণ চালান সেখানকার মোঃ এয়াকুব বাহিনীর লোকজন। দুই পক্ষের সংঘর্ষে গুলিবিদ্ধ হন চারজন।

প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ সূত্র জানায়, ঘটনার দিন এয়াকুব ও তাঁর সহযোগী জাহেদুল ও মো. ওয়াসিমের হাতে ছিল পিস্তল, মহিউদ্দিনের হাতে ছিল একনলা বন্দুক, এলজি ছিল আলী আকবর ও মোঃ নেজামের হাতে। এই ঘটনায় করা মামলায় পুলিশ অস্ত্রধারীদের মধ্যে এয়াকুব ও জাহেদুলকে গ্রেপ্তার করে। বাকিরা পলাতক। অস্ত্রধারীরা পেশাদার সন্ত্রাসী। পুলিশ জানায়, জায়গা দখলসহ আধিপত্য বিস্তারে তাঁরা ভাড়াটে সন্ত্রাসী হিসেবে কাজ করেন।