নীলাকাশ টুডেঃ তিন মাস আগে চট্টগ্রাম নগরের বাকলিয়া এলাকায় কবরস্থানের জায়গা নিয়ে প্রকাশ্যে অস্ত্রবাজির ঘটনায় পেশাদার এক সন্ত্রাসীকে অস্ত্রসহ গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাঁর নাম আলী আকবর। গতকাল শুক্রবার রাতে নগরের চান্দগাঁও এলাকা থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও বাকলিয়া থানার উপপরিদর্শক (এসআই) নিদর্শন বড়ুয়া প্রথম আলোকে বলেন, প্রকাশ্যে অস্ত্রধারীদের গ্রেপ্তারে নিয়মিত অভিযান অব্যাহত আছে। গোপন তথ্যের ভিত্তিতে খবর পেয়ে অস্ত্রধারী আলী আকবরকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাঁর কাছ থেকে একটি এলজি উদ্ধার হয়। ঘটনার দিন তাঁর হাতে উদ্ধার এলজিটি ছিল।

তদন্ত কর্মকর্তা আরও বলেন, আলী আকবরকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে আজ শনিবার আদালতে রিমান্ডের আবেদন করা হয়েছে। তবে শুনানি হয়নি। পরে আদালত আসামিকে কারাগারে পাঠিয়ে দেন। রিমান্ড মঞ্জুর হলে তাঁর কাছ থেকে অস্ত্রটির উৎস সম্পর্কে জানা যাবে।

গত বুধবার প্রথম আলোয় ‘অস্ত্রধারীরা ধরা পড়ে না’ শিরোনামে প্রধান প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। সেখানে অস্ত্রধারীদের মধ্যে আলী আকবরের কথাও বলা হয়।

চট্টগ্রামের বাকলিয়া কালা মিয়া বাজার আবদুল লতিফ হাটখোলা রোডে বড় মৌলভি বাড়ির পারিবারিক কবরস্থানে ‘বিনা মূল্যে কবর দেওয়া হয়’ লেখা সাইনবোর্ড লাগাতে গেলে স্থানীয় সাইফুল্লাহ মাহমুদের পরিবারের ওপর আক্রমণ চালান সেখানকার মোঃ এয়াকুব বাহিনীর লোকজন। দুই পক্ষের সংঘর্ষে গুলিবিদ্ধ হন চারজন।

প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ সূত্র জানায়, ঘটনার দিন এয়াকুব ও তাঁর সহযোগী জাহেদুল ও মো. ওয়াসিমের হাতে ছিল পিস্তল, মহিউদ্দিনের হাতে ছিল একনলা বন্দুক, এলজি ছিল আলী আকবর ও মোঃ নেজামের হাতে। এই ঘটনায় করা মামলায় পুলিশ অস্ত্রধারীদের মধ্যে এয়াকুব ও জাহেদুলকে গ্রেপ্তার করে। বাকিরা পলাতক। অস্ত্রধারীরা পেশাদার সন্ত্রাসী। পুলিশ জানায়, জায়গা দখলসহ আধিপত্য বিস্তারে তাঁরা ভাড়াটে সন্ত্রাসী হিসেবে কাজ করেন।

সূত্র প্রথম আলো

আরও পড়ুন

রাস্তা থেকে দুই মেয়েসহ মা নিখোঁজ

নীলাকাশ টুডেঃ লক্ষ্মীপুরের রামগতিতে স্কুলে যাওয়ার পথে দুই শিশুসহ এক মা নিখোঁজ হয়েছেন। এই ঘটনায় শিশুদের বাবা মোঃ হেলাল বৃহস্পতিবার রাতে রামগতি থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেন।

একই দিন সকালে উপজেলার চর আলগী ইউনিয়নের চর নেয়ামত গ্রামের নিজ বাড়ি থেকে রামদয়াল বাজার আইডিয়াল প্রিক্যাডেট একাডেমির উদ্দেশ্য যাওয়ার পথে তারা নিখোঁজ হন।

নিখোঁজরা হচ্ছে মা মারজাহান (২৭), বড় মেয়ে সুরাইয়া জাহান সামিয়া (৮) ছোট মেয়ে বিবি ফাতেমা (৪)।

মো. হেলাল জানান, বড় মেয়ে সুরাইয়া জাহান সামিয়ার দ্বিতীয় শ্রেণির পরীক্ষার্থী ছিল। বৃহস্পতিবার সকাল ৯টার দিকে সামিয়াকে পরীক্ষা কেন্দ্রে পৌঁছে দেওয়ার জন্য তার মা মারজাহান বাড়ি থেকে বের হয় ওই সময় ছোট মেয়ে বিবি ফাতেমাকেও তার সঙ্গে নেন। সকাল ১০টায় স্কুল থেকে শিক্ষিকা শিলা আক্তার মোবাইল ফোনে সামিয়া পরীক্ষা কেন্দ্রে না পৌঁছার কথা জানালে তিনি তাদের খুঁজতে বের হয়। তাদেরকে কোথাও খুঁজে না পেয়ে রাতেই থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন।

রামগতি থানার ওসি মোহাম্মদ সোলাইমান জানান, দুই মেয়েসহ মা নিখোঁজ হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় নিখোঁজ মারজাহানের স্বামী মো. হেলাল রামগতি থানায় সাধারণ ডায়েরি করেছেন। ঘটনাটি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে এবং নিখোঁজের খবরটি সব জায়গায় দেওয়া হয়েছে।