প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে,,,

দৈনিক ‘বাংলাদেশ প্রতিদিন’ পত্রিকায় অদ্য ১১ আগস্ট ২০২১ইং তারিখে “বিলিনের পথে ছোট দলগুলো” শিরোনামে প্রকাশিত খবরে ‘বাংলাদেশ কংগ্রেস’-কে ‘এক ব্যক্তির দল’ হিসেবে অবিহিত করা হয়েছে যা তথ্যনির্ভর নয়। বাংলাদেশের সর্বশেষ নিবন্ধিত রাজনৈতিক দল ‘বাংলাদেশ কংগ্রেস’ যা ২০১৩ সালের ৪ মার্চ প্রতিষ্ঠিত ও ২০১৯ সালের ৯ মে নিবন্ধিত। নিবন্ধন পাওয়ার পর দলটি বগুড়া-৬, ঢাকা-১০, ঢাকা-৫ ও ঢাকা-১৮ আসনের উপ-নির্বাচন এবং ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে নিজস্ব প্রতীক ‘ডাব’ নিয়ে অংশ গ্রহন করে। আসন্ন সিলেট-৩ উপ-নির্বাচন ও লেমশীখালী ইউনিয়ন পরিষদ (কুতুবদিয়া, কক্সবাজার) নির্বাচনে দলটি প্রার্থী দিয়েছে।

উল্লেখ্য, ২০১৭ সালে নির্বাচন কমিশন নতুন দলের নিবন্ধন সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তি জারি করলে বাংলাদেশ কংগ্রেস নিবন্ধন সংক্রান্ত যাবতীয় শর্তাদি পূরণ সাপেক্ষে আবেদন করে। মোট ৭৬টি আবেদন যাচাই-বাছাই করে বাংলাদেশ কংগ্রেসসহ মাত্র দুটি দলের নিবন্ধনের সুপারিশ করা হয়। তবে চুড়ান্তভাবে বাংলাদেশ কংগ্রেসের নিবন্ধন নামঞ্জুর করলে দলটি মহামান্য হাইকোর্ট বিভাগে রিট পিটিশন দায়ের করে এবং মহামান্য হাই কোর্ট বিভাগ চুড়ান্ত রায়ে দলটিকে নিবন্ধন প্রদানের জন্য নির্বাচন কমিশনকে নির্দেশ দেন। পরবর্তীতে নির্বাচন কমিশন হাই কোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে মহামান্য আপিল বিভাগে আপীল করে যা চুড়ান্ত বিচারে খারিজ হয় এবং উক্ত রায়ের ভিত্তিতে ২০১৯ সালের ৯ মে ৪৪ নং সিরিয়ালে দলটির নিবন্ধন দেয় নির্বাচন কমিশন। নিবন্ধন পেয়েই একাধিক উপ-নির্বাচনে অংশ নেয় দলটি। তারপর দেশে শুরু হয় করোনার ভয়াবহতা এবং সব ধরণের রাজনৈতিক কর্মসূচী স্থবির হয়ে যায়। করোনার মধ্যেও কয়েকটি উপ-নির্বাচন হয় সেখানে বাংলাদেশ কংগ্রেস অংশ গ্রহন করে।

সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশ কংগ্রেসের নেতৃত্বে ‘নির্বাচন সংস্কার আন্দোলন’ নামে একটি প্লাটফর্ম কাজ করে যাচ্ছে যেখানে প্রায় দুই ডজন রাজনৈতিক দল ও সংগঠন সম্পৃক্ত রয়েছে। এই প্লাটফর্ম থেকে মহামান্য রাষ্ট্রপতি, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও স্পিকারকে চিঠি দিয়ে দেশে একটি স্থায়ী, স্বাধীন ও নিরপেক্ষ নির্বাচন ব্যবস্থা প্রবর্তনের উদ্যোগ গ্রহন করতে অনুরোধ করা হয়েছে। এই করোনা পরিস্থিতিতে দলটি বিভিন্ন স্থানে ত্রাণ বিতরণ করেছে যা মূল ধারার গণমাধ্যমে প্রকাশ করা হয় না। মূল ধারার গণমাধ্যমগুলো শুধু আওয়ামী লীগ, বিএনপি ও জাতীয় পার্টির খবর প্রকাশ করে, অন্য দলগুলোর কোন কর্মসূচী তারা গুরুত্ব দেয় না। বাংলাদেশ কংগ্রেস প্রত্যেকটি কর্মসূচীর আগে গণমাধ্যম ও আইন প্রয়োগকারী সংস্থাকে অবগত করে। উল্লেখিত প্রতিবেদনের প্রতিবেদক জনাব মাহমুদ আজহারকে বাংলাদেশ কংগ্রেসের অফিস পরিদর্শন ও দলের যাবতীয় কর্মকান্ড সম্পর্কে অবগত হওয়ার আহবান জানানো হয়েছে।

নিবন্ধন প্রাপ্তির পর বাংলাদেশ কংগ্রেস একমাত্র রাজনৈতিক দল যারা সাম্প্রতিক সব জাতীয় উপ-নির্বাচন ও স্থানীয় সরকার নির্বাচনে আওয়ামী লীগ ও জাতীয় পার্টির সাথে অংশ নিয়েছে। বাংলাদেশ কংগ্রেস কর্তৃক দলটির বিভিন্ন নির্বাচনে অংশ নেয়া সংক্রান্ত খবর একাধিকবার বাংলাদে;শ প্রতিদিনসহ বিভিন্ন জাতীয় পত্রিকায় প্রকাশ করা হয়েছে। বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশনে গিয়ে বাংলাদেশ কংগ্রেস সম্পর্কে সঠিক তথ্য গ্রহন না করে এ ধরণের অসত্য তথ্য সম্বলিত সংবাদ প্রকাশ করা সমিচিন হয়নি এবং এ ধরণের অসত্য তথ্য প্রকাশ করায় দলটির অপুরনীয় ক্ষতি হয়েছে বলে দলটি মনে করে। বাংলাদেশ কংগ্রেসের মহাসচিব এ্যাডঃ মোঃ ইয়ারুল ইসলাম স্বাক্ষরিত পত্রে বাংলাদেশ কংগ্রেসের পক্ষ থেকে উপরোক্ত সংবাদের প্রতিবাদ জানিয়ে পত্রিকার পরবর্তী সংখ্যায় সংশোধনী আকারে সংবাদ প্রকাশের অনুরোধ জানিয়েছে দলটি।