মোঃ নুরুজ্জামানঃ সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার নুরনগর বাজারে মহাজনি সুদ ব্যবসায়ীদের অত্যাচারে সাধারণ মানুষ অতিষ্ঠ এবারে থাকছে নীলাকাশ টুডের শেষ পর্ব। শেষ পর্বে অনুসন্ধানে উঠে এসেছে ভয়াবহ চিত্র। বহু পরিবার সুদের যাতা কলে সর্বহারা হয়ে গেলেও সরকারের সংশ্লিষ্ট কতৃপক্ষ রয়েছে চুপচাপ, সাধরণ মানুষের বিশ্বাস লেখালেখি করেও সূদি ব্যবসায়ীদের কিচ্ছু করতে পারবেন না।

সরকারের আয়কর ফাঁকি দিয়ে অবৈধ ভাবে সুদের ব্যবসা করে বহু সুবিধা ভোগী লোকজন বিল্ডিং নির্মাণ করেছে। অবৈধ ভাবে সুদের কারবারি করে কালো টাকার পাহাড় বানিয়ে রয়েছে ধরাছোঁয়ার বাইরে। নুরনগর বাজারে শত-শত নামে বে-নামে সুদি সমিতি গড়ে উঠেছে।

কারা সমিতির সাথে জড়িত তাদের নাম সবাই জানে। তবে নাম বলতে অনেকেই ভয় পায়।

এক দিকে চলছে মহামারি করোনা ভাইরাস সংক্রমণ হার বৃদ্ধি। অন্যদিকে সুদের হার বেড়েই চলেছে। সুদের যাতা কলে মধ্যেবিত্ত পরিবার ধংস হয়ে যাচ্ছে।

শুধু নুরনগর না উপজেলার সবকটি ইউনিয়নে একই চিত্র দেখা যাচ্ছে। যারা সুদে টাকা নিচ্ছে তাদের বক্তব্য হচ্ছে, আমাদের সুদে টাকা না নিলে আমরা চলবো কি করে। টানা ১৫ মাস লক ডাউন চলছে দেশে। সরকার আমাদের বিনা সুদে লোন দিলে আমরা অবশ্যই সুদে টাকা নিবো না৷ প্রকৃত পক্ষে আমরা সুদের টাকা নিতে চাইনা। বিপদে পড়ে নিতে হয়।

জানা যায়, নুরনগর বাজারের সুদের কারবারে জড়িতরা নাম মাত্র ব্যবসা প্রতিষ্ঠান খুলে এক হাজার টাকার বিনিময়ে দৈনিক ৫ থেকে ১৫ টাকা পর্যন্ত আদায় করেন। স্টাম্পের উপর লিখেও নেন।

ভুক্তভোগীরা বিপদে পড়ে ব্যাংকের চেক, স্টাম্প, স্বর্ণের গহনা বন্ধকরূপ রেখে টাকা নেন। এই বিষয়ে দুদকের দৃষ্টি আকর্ষণ সহ সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের উর্ধতন কর্মকর্তাদের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন স্থানীয় ভুক্তভোগীরা।