নীলাকাশ টুডেঃ দ্বিতীয় স্ত্রী ছেড়ে চলে যাওয়ায় আফজাল শেখ (২৮) নামে এক যুবকের আত্মহত্যার খবর পাওয়া গেছে। ঘটনাটি ঘটেছে শনিবার ফরিদপুরের চরভদ্রাসন উপজেলার পদ্মা নদীর অপরপারে চরহরিরামপুর ইউনিয়নের একরাম মাতুব্বরের ডাঙ্গী গ্রামে। সেখান থেকে পুলিশ তার লাশ উদ্ধার করে। নিহত আফজাল ওই গ্রামের শেখ ছালামের ছেলে বলে জানা গেছে। নিহতের স্বজনরা জানান, যুবক আফজাল ঢাকায় এক ডকইয়ার্ডে কাজ করতেন। তিনি দুটি বিবাহ করেন।
প্রথম স্ত্রীকে তালাক দেওয়ার পর ঢাকা থেকে একটি মেয়েকে বিবাহ করে বাড়ি নিয়ে আসেন। সম্প্রতি তার ২য় স্ত্রীও তাকে ছেড়ে চলে গেলে আফজাল মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে ঘটনার দিন সকালে ঘরের আড়ার সঙ্গে গলায় ফাঁস লাগিয়ে ঝুলে আত্মাহুতি দেন। এ ব্যাপারে চরভদ্রাসন থানার ওসি মোঃ জাকারিয়া হোসেন গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে লাশ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসা হয়। ছেলেটির পরিবারের সদস্য ও স্থানীয়দের কোনো অভিযোগ না থাকায় প্রাথমিক ভাবে পরীক্ষা- নিরীক্ষা শেষে নিহতের লাশ তার পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। এ ঘটনায় একটি অপমৃত্যু মামলা হয়েছে।
আরও পড়ুন

নীলাকাশ টুডেঃ চুয়াডাঙ্গায় করোনা শনাক্ত হওয়ায় লজ্জা ও ঘৃণায় এক রোগী আত্মহত্যা করেছেন বলে খবর পাওয়া যাচ্ছে। রোববার ভোরে নিজ ঘরে গলায় ফাঁস দিয়ে তিনি আত্মহত্যা করেন।

নিহত আবদুর রাজ্জাক আলমডাঙ্গা উপজেলার গড়গড়ি গ্রামের সাহাজ উদ্দিন মণ্ডলের ছেলে। তিনি পেশায় একজন গরু ব্যবসায়ী ছিলেন।

সম্প্রতি তার করোনা শনাক্ত হওয়ায় লজ্জা ও ঘৃণায় আবদুর রাজ্জাক আত্মহত্যা করেন বলে এলাকাবাসী জানান।

জানা গেছে, আবদুর রাজ্জাক সম্প্রতি ঠাণ্ডা জ্বরে আক্রান্ত হলে চিকিৎসকের শরণাপণ্ন হন। পরীক্ষা করা হলে গত ১৬ জুন তার করোনা রিপোর্ট পজিটিভ আসে। ডাক্তারের পরামর্শে তিনি বাড়িতে চিকিৎসাধীন ছিলেন।

আবদুর রাজ্জাকের স্ত্রী ময়না খাতুন বলেছেন, করোনা শনাক্ত হওয়ার পর আমার স্বামী মানসিক ভাবে খুব ভেঙে পড়ে। কিন্তু সে শারীরিকভাবে সুস্থই ছিল। সে আলাদা ঘরে ছিল ঠিকই, কিন্তু আমি সবসময় দেখভাল করতাম। ভোরেও তার কাশির শব্দ শুনতে পাই। কিন্তু সকালে তাকে ডাকতে গিয়ে দেখি ঘরের আড়ায় ফাঁস দিয়ে সে ঝুলছে।

স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান আমিনুল হক রোকন জানিয়েছেন, করোনা শনাক্ত হলে ১৭ জুন তার বাড়িতে লাল পতাকা টাঙিয়ে দেওয়া হয়। আজ সকালে আত্মহত্যার খবর পেয়ে আমি তার বাড়িতে যাই এবং পুলিশে খবর দিই।

আমার ধারণা, গরু ব্যবসায়ী আবদুর রাজ্জাক সামাজিক ভাবে হেয় প্রতিপন্ন হওয়ার কারণে লজ্জা ও ঘৃণায় আত্মহত্যা করেছে।

আরও পড়ুন

সাতক্ষীরায় যে কয় দিন থাকবে সর্বোচ্চ লকডাউন

মোঃ নুরুজ্জামানঃ সাতক্ষীরায় করোনা ভাইরাস সংক্রমণের হার বৃদ্ধি পাওয়ায় প্রশাসন লক ডাউন ঘোষণা করে ছিল, তৃতীয় বারের মত ২১ দিনের কঠোর লক ডাউন চলছে। এরই মধ্যে কঠিন সিদ্ধান্ত নেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে প্রশাসন, বলেছে লক ডাউন না মানলে কঠোর হস্তে দমন করা হবে। সেই সাথে জরিমানা আদায় করতে দেখা গেছে বিভিন্ন ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও লোকজনদের কাছ থেকে। করোনা ভাইরাস সংক্রমণের হার বৃদ্ধি পেলেও আতঙ্কিত না হয়ে সচেতন হওয়ার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে প্রশাসনের পক্ষ থেকে। স্বাস্থ্য বিধি মেনে চলার কথা বার বার বলা হচ্ছে।

এদিকে লক ডাউনের ফলে মানুষের ব্যবসা বাণিজ্যের উপর আর্থিক ক্ষতির ব্যাপক প্রভাব পড়েছে। মধ্যবিত্তরা গরীবের তালিকায় চলে যাচ্ছে। কে শুনবে কার কথা সেই পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে। লক ডাউনে কোন ক্ষতিগ্রস্ত কাউকে সরকারি ভাবে সাহায্য করতে দেখা যায়নি।

যারা দিন এনে দিন খায়, তাদের অবস্থা খুব বেশি ভালো না। এছাড়া প্রশাসনের কর্মকর্তারা এখনো এনজিও কিস্তি বন্ধ করতে পারেনি। তা হলে কেমন লক ডাউন চলছে প্রশ্ন সাধারণ মানুষের। সব দিক বিবেচনা করে দ্রুত সময়ের মধ্যে লক ডাউন তুলে দেওয়া উচিত বলে সাধারণ মানুষ মনে করে। তবে চলতি সপ্তাহে লক ডাউন শেষ হওয়ার কথা থাকলেও, আবারও কি লক ডাউন দেওয়া হবে, নাকি এটাতেই শেষ। এই নিয়ে চলছে নানা জল্পনা কল্পনা। সর্বোচ্চ কত দিন লক ডাউন চলবে সাতক্ষীরা জেলায় তা এই মুহূর্তে কেউ স্পষ্ট করে কিছু বলতে পারছে না। তবে সাধারণ মানুষের দাবি লক ডাউন যেনো নতুন করে না দেয়। লক ডাউনের বিকল্প ব্যবস্থা গ্রহণ করা প্রয়োজন। তবে এক শ্রেণির লোক লক ডাউনের পক্ষে, যারা লক ডাউনের বিপক্ষে তাদের বক্তব্য হলো যারা লক ডাউন চাচ্ছে তারা নিজেরাই বাড়িতে থাক। যারা লক ডাউন চাচ্ছে না তারা বাহিরে থাকুক। যারা লক ডাউন চাচ্ছে তাদের উচিত যারা লক ডাউন চাচ্ছে না তাদের বাড়িতে খাদ্য পৌছায়ে দেওয়া হোক, এমন টা বলছিলেন কয়েকজন ব্যবসায়ি,,,