নীলাকাশ টুডেঃ ৯২টি ছাড়া অননুমোদিত ও অনিবন্ধিত সব অনলাইন নিউজ পোর্টাল আগামী সাত দিনের মধ্যে বন্ধের নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। আদালত বিটিআরসি চেয়ারম্যান ও প্রেস কাউন্সিলের চেয়ারম্যানকে এই নির্দেশ বাস্তবায়ন করতে বলেছেন।

মঙ্গলবার বিচারপতি মোঃ মজিবুর রহমান মিয়া ও বিচারপতি মোঃ কামরুল হোসেন মোল্লার সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ সংক্রান্ত এক রিট আবেদনের শুনানি নিয়ে এই আদেশ দেন।

আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন দুই রিটকারী আইনজীবী জারিন রহমান ও রাশিদা চৌধুরী নীলু।

এর আগে গত ৫ মে সংবেদনশীল সংবাদসহ যে কোনো খবর প্রকাশের ক্ষেত্রে সংবাদমাধ্যমগুলোর জন্য ‘নৈতিক নীতিমালা’ প্রণয়ন চেয়ে সংশ্লিষ্টদের একটি আইনি নোটিশ পাঠানো হয়। তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের সচিব, বিটিআরসির চেয়ারম্যান এবং বাংলাদেশ প্রেস কাউন্সিলের চেয়ারম্যানকে এই নোটিশ দেওয়া হয়। সেই নোটিশের কোনো জবাব না পেয়ে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন আইনজীবী জারিন রহমান ও রাশিদা চৌধুরী নীলু।

রিট আবেদনে বলা হয়, সম্প্রতি রাজধানীতে ২১ বছরের এক মেয়ের লাশ উদ্ধারের ঘটনায় দণ্ডবিধি আইনের ৩০৬ ধারায় আত্মহত্যায় প্ররোচণার অভিযোগে মামলা দায়ের করা হয়। এই ঘটনাটিকে কেন্দ্র করে দেশের সংবাদমাধ্যমগুলোর মধ্যে বিশেষ করে অনলাইন নিউজ পোর্টালগুলোতে অগ্রহণযোগ্যভাবে নিউজ পরিবেশন করা হয়েছে। অথচ এসব সংবাদ পরিবেশনা বন্ধে বিটিআরসি কিংবা প্রেস কাউন্সিল কোনো উদ্যোগ গ্রহণ করেনি। এমতাবস্থায় বাংলাদেশ প্রেস কাউন্সিল কর্তৃক সংবাদ পরিবেশনের ক্ষেত্রে নৈতিক নীতিমালা প্রনয়ণ জরুরি হয়ে উঠেছে। একইসঙ্গে দেশে অনিবন্ধিত নিউজ পোর্টালগুলো চালু থাকার পরেও বিটিআরসি কোনো পদক্ষেপ গ্রহণ করেনি। তাই এসব পোর্টালের রেজিস্ট্রেশনও জরুরি।

এই রিটের শুনানি নিয়ে ‘ন্যাশনাল অনলাইন মাস মিডিয়া পলিসি-২০১৭’ অনুযায়ী দেশে অননুমোদিত ও অনিবন্ধিতকৃত অনলাইন মিডিয়াগুলো কেন বন্ধ করা হবে না- তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেন উচ্চ আদালত।

আরও পড়ুন

হাসপাতালের সামনের ড্রেন থেকে নবজাতকের লাশ উদ্ধার

নীলাকাশ টুডেঃ চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালের প্রশাসনিক ভবনের সামনের নালা থেকে এক নবজাতকের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। আজ মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১০টায় ওই নবজাতকের লাশ দেখতে পান হাসপাতালের পরিচ্ছন্নতাকর্মীরা।

হাসপাতালের উপপরিচালক আফতাবুল ইসলাম বলেন, পলিথিনে মোড়ানো এক নবজাতকের লাশ নালায় পড়ে ছিল। লাশটি ক্ষতবিক্ষত ছিল। প্রথমে দেখে মনে হচ্ছিল এ আসলে দুটি নবজাতকের লাশ। পরে দেখা যায়, এটি আসলে একটি নবজাতকের লাশ। বিষয়টি হাসপাতালের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের জানানো হয়েছে। লাশটি কোথা থেকে কীভাবে এল, তা পুলিশ খতিয়ে দেখবে।

এ বিষয়ে হাসপাতাল পুলিশের সহকারী উপপরিদর্শক শহীদুল ইসলাম বলেন, নবজাতকের লাশটি মর্গে রাখা হয়েছে। পরে তা আঞ্জুমান মুফিদুল ইসলামে দেওয়া হবে।