নীলাকাশ টুডেঃ ১২৯ রান করলেই দুই ম্যাচ হাতে রেখে সিরিজ নিশ্চিত। এমন সহজ সমীকরণ সামনে রেখে ব্যাটিংয়ে নেমে ৯.৩ ওভারে মাত্র ৪৩ রানে ৬ উইকেট হারিয়ে বিপদে বাংলাদেশ। সাজঘরে ফিরেছেন লিটন দাস, মেহেদি হাসান, সাকিব আল হাসান, নাঈম শেখ, মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ ও আফিফ হোসেন।

টার্গেট তাড়া করতে নেমে উদ্বোধনী জুটিতে ২৩ রান করা বাংলাদেশ এরপর ১১ রানের ব্যবধানে ৪ উইকেট হারিয়ে বিপদে পড়ে যায়।

ইনিংসের তৃতীয় ওভারেই বিপদে পড়েন ওপেনার লিটন দাস। ২.৫ ওভারে দলীয় ২৩ রানে কলিন ম্যাককনকির বলে এলবিডব্লিউ হয়ে ফেরেন এ ওপেনার।

ঠিক পরের ওভারে এজাজ প্যাটেলের বলে ক্যাচ তুলে দিয়ে ফেরেন মেহিদ হাসান। চার নম্বর পজিশনে ব্যাটিংয়ে নেমে সেই এজাজ প্যাটেলের দ্বিতীয় শিকার হন সাকিব আল হাসান। কিউই এ স্পিনারের বলে বাউন্ডারি হাঁকাতে গিয়ে ক্যাচ তুলে দেন বিশ্বসেরা এ অলরাউন্ডার।

ওপেনিংয়ে ব্যাটিংয়ে নামা মোহাম্মদ নাঈম শেখ রাচিন রবীন্দ্রর বলে বোল্ড হয়ে ফেরেন। ছয় নম্বর পজিশনে ব্যাটিংয়ে নেমে ৭ বলে ৩ রান করে ফেরেন অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। এরপর ব্যাটিংয়ে নেমেই গোল্ডেন ডাক মারেন আফিফ হোসন। তার বিদায়ে ৯.৩ ওভারে ৪৩ রানে ৬ উইকেট হারায় বাংলাদেশ।

রোববার মিরপুর শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টস জিতে প্রথমে ব্যাটিং করে ৫ উইকেটে ১২৮ রান করে নিউজিল্যান্ড।

এদিন ব্যাটিংয়ে নেমে নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারায় কিউইরা। ইনিংসের তৃতীয় ওভারে বোলিংয়ে এসেই সাফল্য পান কাটার মাস্টার মোস্তাফিজুর রহমান। তার বলে মাহমুদউল্লাহ রিয়াদের হাতে ক্যাচ তুলে দিয়ে ফেরেন করোনা সংক্রমণ কাটিয়ে খেলায় ফেরা নিউজিল্যান্ড ওপেনার ফিন অ্যালান। সিরিজের প্রথম দুই ম্যাচে তিনি খেলতে পারেননি। তার বিদায়ে ২.১ ওভারে ১৬ রানে প্রথম উইকেট হারায় নিউজিল্যান্ড।

এরপর নিউজিল্যান্ড শিবিরে জোড়া আঘাত হানেন মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন। দলীয় ৬.৪ ওভারে সাইফউদ্দিনের শিকার হন উইলি ইয়াং। ওই ওভারের শেষ বলে কলিন ডি গ্রান্ডহোমকেও ফেরান সাইফউদ্দিন।

এরপর মাহমুদউল্লাহ রিয়াদের বলে বোল্ড হয়ে ফেরেন নিউজিল্যান্ডের অন্য ওপেনার রাচিন রবীন্দ্র। সাজঘরে ফেরার আগে ২০ বলে ২০ রান করেন তিনি।

রিয়াদের পর কিউই শিবিরে আঘাত হানেন স্পিনার মাহেদী হাসান। তার বলে তার হাতেই ক্যাচ তুলে দিয়ে ফেরেন নিউজিল্যান্ড অধিনায়ক টম ল্যাথাম। ১০.৫ ওভারে দলীয় ৬২ রানে ফেরেন কিউই এ অধিনায়ক।

এরপর টম ব্লান্ডেলকে সঙ্গে নিয়ে ষষ্ঠ উইকেটে ৫৫ বলে অবিচ্ছিন্ন ৬৬ রানের জুটি গড়েন হেনরি নিকোলাস। তাদের এই জুটিতেই ১২৮/৫ রানের চ্যালেঞ্জিং স্কোর গড়ে নিউজিল্যান্ড। ২৯ বলে ৩৬ রান করেন নিকোলাস। আর ৩০ বলে ৩০ রান করেন টম ব্লান্ডেল।

সংক্ষিপ্ত স্কোর

নিউজিল্যান্ড: ২০ ওভারে ১২৮/৫ (নিকোলাস ৩৬*, ব্লান্ডেল ৩০*, রাচিন রবীন্দ্র ২০, উইলি ইয়াং ২০; সাইফউদ্দিন ২/২৮)।

আরও পড়ুন

সাতক্ষীরায় র‌্যাব খাঁচায় ৫ দালাল

নীলাকাশ টুডেঃ র‌্যাব-৬ সাতক্ষীরা সদর হাসপাতাল ও বিআরটিএ অফিস সংলগ্ন এলাকায় দালাল চক্রর বিরুদ্ধে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন। এ সময় সদর হাসপাতাল এলাকা থেকে তিন জন ও বিআরটি অফিস এলাকা থেকে দুই জন কে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে জরিমানা ও কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে।

রোববার সারাদেশের ন্যায় র‌্যাব-৬, সিপিসি-১ সাতক্ষীরার, কোম্পানি কমান্ডার ইশতিয়াক হোসাইন, র‌্যাবের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শাহিদুজ্জামান এবং ম্যাজিট্রেট নুরুল আমিন এর নেতৃত্বে সাতক্ষীরা সদর হাসপাতাল ও বিআরটিএ’র দালাল চক্রর বিরুদ্ধে ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করে দালাল চক্রর ৫ সদস্যকে কারাদন্ড ও অর্থদন্ড দেওয়া হয়েছে।

এর মধ্যে সদর হাসপাতাল এলাকায় শহরের পোলাশপোল এলাকার মৃত ফকির আলীর ছেলে খোরশেদ গাজী, সদরের মাগুরা এলাকার মৃত ওসমান গাজী ছেলে মুহিদুল ইসলাম ও শহরের পুরাতন সাতক্ষীরা এলাকার নূর মোহাম্মদ এর ছেলে রুহুল আমিন। অপর দিকে বিআরটিএ’র দালাল চক্রের সদরের বেদনা এলাকার মাসরিব এর ছেলে দেলোয়ার হোসেন ও এর আগেও গ্রেফতার হওয়া সদরের মুকুন্দপুর এলাকার আফছার উদ্দিনের ছেলে হাফিজুল আলম রিপন এর বিরুদ্ধে ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করে।

এর মধ্যে ৪ জনকে ১০ দিনর বিনাশ্রম কারাদন্ড ও বারো হাজার টাকা অর্থদন্ড এবং ১ আসামীর দুই হাজার টাকা অর্থদন্ড অনাদায় ০১ মাসের বিনাশ্রম কারাদন্ড প্রদান করা হয়েছে।

পরবর্তীতে গ্রেফতারকৃত আসামীদের সাতক্ষীরা কারাগার প্রেরণ করা হয়েছে।

আরও পড়ুন

শ্বশুরবাড়ি বেড়াতে গিয়ে কোটিপতি হলেন জামাই, নিরাপত্তার আশ্বাস পুলিশের

নীলাকাশ টুডেঃ শ্বশুরবাড়ি গিয়ে কোটিপতি হলেন এক নিরাপত্তাকর্মী। একই দিনে জোড়া লটারি জিতে কোটিপতি বনে গেছেন তিনি।

এ ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ল পশ্চিমবঙ্গের পশ্চিম বর্ধমান জেলার জামুড়িয়ায়।

আনন্দবাজার জানিয়েছে, পশ্চিম বর্ধমান জেলার আসানসোল পুরনিগমের ১৩ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা শ্রীধর রুইদাস। নিরাপত্তাকর্মী হিসাবে কাজ করেন এক বেসরকারি সংস্থায়।

শনিবার সকালে শ্বশুরবাড়ি এসে স্থানীয় বাজারে লটারির টিকিট কাটেন শ্রীধর। দুপুর দেড়টা নাগাদ জানতে পারেন, লটারির প্রথম পুরস্কার এক কোটি টাকা পেয়েছেন তিনি। তবে তার পরও টিকিট কাটা থামাননি। বিকালে ফের টিকিট কাটেন। কাকতালীয় ভাবে তাতেও জেতেন কয়েক লাখ টাকা।

পর পর দুবার লটারি জিতে আনন্দে আত্মহারা হয়ে শ্বশুরবাড়ির সবাইকে খবরটি জানান জামাই। আস্তে আস্তে খবরটি ছড়িয়ে পড়ে পুরো এলাকায়।

অবশেষে নিরাপত্তার অভাব বোধ করে জামুড়িয়া থানায় যান শ্রীধর। পুলিশ তার যাবতীয় নিরাপত্তার ব্যবস্থা করবে বলে জানিয়েছে।