স্পোর্টস ডেস্ক

অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে রেকর্ড জয়ের ইতিহাস গড়ল বাংলাদেশ। অসিদের ৬২ রানে গুঁড়িয়ে দিয়ে ৬০ রানের বিশাল জয় পেয়েছে বাংলাদেশ।

পাঁচ ম্যাচের শেষ টি-টোয়েন্টি ১২৩ রানের টার্গেটে ব্যাটিংয়ে নেমে ইনিংসের শুরু থেকে নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারিয়ে ১৩.৪ ওভারে ৬২ রানে অলআউট হয় অস্ট্রেলিয়া।

ইনিংসের দ্বিতীয় ওভারে উইকেট হারায় অস্ট্রেলিয়া। নিজের প্রথম ওভারের প্রথম বলে দলীয় ৩ রানে ড্যান ক্রিস্টিয়ানকে আউট করে অসিদের ওপেনিং জুটি ভাঙেন নাসুম আহমেদ।

এর আগে সিরিজের তৃতীয় ম্যাচে মাত্র ৮ রানে অস্ট্রেলিয়ান অধিনায়ক ম্যাথু ওয়েডকে আউট করে ওপেনিং জুটি ভেঙে ছিলেন বাঁ-হাতি এ স্পিনার।

৩.৫ ভারে দলীয় ১৭ রানে নাসুমের দ্বিতীয় শিকার হন মিচেল মার্শ। সিরিজের আগের চার ম্যাচে ৪৫, ৪৫, ৫১ ও ১১ রান করা এ তারকা ব্যাটসম্যানকে এদিন ৪ রানের বেশি করতে দেননি নাসুম।

নাসুম আহমেদ, সাকিব আল হাসান, মাহমুদউল্লাহ রিয়াদের পর মোহাম্মদ সাইফউদ্দিনের আঘাত। নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারিয়ে ম্যাচ থেকে ছিটকে যায় অস্ট্রেলিয়া।

এর আগে টস জিতে প্রথমে ব্যাট করে উড়ন্ত সূচনা করা বাংলাদেশ শেষ পর্যন্ত ৮ উইকেট হারিয়ে ১২২ রান করে।

সোমবার মিরপুর শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টস জিতে প্রথমে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন বাংলাদেশ দলের অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ।

ব্যাটিংয়ে নেমে শুভ সূচনা করেন দুই ওপেনার মেহেদি হাসান ও নাঈম শেখ। ৪.৩ ওভারে দলীয় ৪২ রানে সাজঘরে ফেরেন ব্যাটিংয়ে প্রমোশন নিয়ে ওপেন করা মেহেদি হাসান। সাজঘরে ফেরার আগে ১২ বলে ১৩ রান করেন এ অলরাউন্ডার।

দলীয় ৫৭ রানে ফেরেন অন্য ওপেনার মোহাম্মদ নাঈমও। ২৩ বলে এক চার ও এক ছক্কায় ২৩ রান করে ফেরেন তিনি।

নাঈম আউট হওয়ার পর মাত্র ৩ রান ব্যবধানে অ্যাডাম জাম্পার বলে এলবিডব্লিউ সাকিব আল হাসান। ২০ বলে ১১ রান করার সুযোগ পান এ অলরাউন্ডার।

সাকিব আউট হওয়ার পর দলীয় ৮৪ রানে ফেরেন অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। সাজঘরে ফেরার আগে ১৪ বলে এক ছক্কায় করেন ১৯ রান।

রিয়াদ আউট হওয়ার পর ৩৪ রানের ব্যবধানে ফেরেন সৌম্য সরকার, নুরুল হাসান সোহান, আফিফ হোসেন ও মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন।

টাইগার ব্যাটসম্যানরা আসা-যাওয়ার মিছিলে অংশ নেয়ায় সম্মানজনক স্কোর গড়া সম্ভব হয়নি। ৮ উইকেট হারিয়ে ১২২ রান করে স্বাগতিকরা।

অস্ট্রেলিয়ার হয়ে নাথান এলিস ও ডেন ক্রিস্টিয়ান দুটি করে উইকেট নেন। একটি করে উইকেট শিকার করেন অ্যাস্টন টার্নার, অ্যাস্টন অ্যাগার ও অ্যাডাম জাম্পা।

আরও পড়ুন

বাস দুর্ঘটনায় নিহত ২৩

নীলাকাশ টুডেঃ তুরস্কে পৃথক দুটি বাস দুর্ঘটনায় কমপক্ষে ২৩ জন নিহত এবং ২৮ জন আহত হয়েছেন।

এর মধ্যে ইজমির প্রদেশের কেমালপাসা জেলায় একটি বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রাস্তার পাশে খাদে পড়ে গেলে আটজন নিহত এবং ১১ জন আহত হন।

ইজমির প্রদেশের গভর্নর ইয়াভুজ সেলিম এক টুইটবার্তায় এ দুর্ঘটনার কথা জানান। খবর আনাদোলুর।

আহতদের উদ্ধার করে দ্রুত নিকটস্থ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে বলেও জানান গভর্নর।

দ্বিতীয় দুর্ঘটনাটি ঘটে বালিকেসির প্রদেশে।রোববার ভোরে একটি বাস কৃষ্ণ সাগরের পাশে জংগুলদার প্রদেশ থেকে আসার সময় দুর্ঘটনায় পড়ে ১৫ যাত্রী নিহত হয়।

এদের মধ্যে ঘটনাস্থলে ১১ জন এবং হাসপাতালে নেওয়ার পর আরও চারজন নিহত হন। এছাড়া এ দুর্ঘটনায় আরও ১৭ জন যাত্রী আহত হয়েছেন।

আরও পড়ুন

বিধিনিষেধ শিথিল করে প্রজ্ঞাপন জারি

নীলাকাশ টুডেঃ করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ ঊর্ধ্বগতি ঠেকাতে চলমান কঠোর বিধিনিষেধ শিথিল করেছে সরকার। আগামী ১১ আগস্ট থেকে বিধিনিষেধ শিথিলের প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।

রোববার বিকালে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে এ প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।

এতে বলা হয়েছে, শপিংমল, মার্কেট, দোকানপাট খোলা থাকবে সকাল ১০টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত।সড়কপথে মোট যানবাহনের অর্ধেক চলাচল করবে। হোটেল-রেস্তোরাঁ অর্ধেক আসন ফাঁকা রেখে রাত ১০টা পর্যন্ত খোলা থাকবে। স্বাস্থ্যবিধি মেনে সব সরকারি-বেসরকারি অফিস খোলা থাকবে।

দুপুরে সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন বলেন, ১০ আগস্টের পর সবকিছু ধাপে ধাপে খুলবে। এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত দেবেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, বিধিনিষেধ আগামী ১০ আগস্ট রাত ১২টা পর্যন্ত চলমান থাকবে। ১১ তারিখ থেকে যেটি চিন্তাভাবনা চলছে সেটি হলো- ধাপে ধাপে পর্যায়ক্রমে শিথিল করা। আমাদের করোনা শনাক্তের হার একটু কমছে, কিন্তু মৃত্যুর হার ২০০ এর ওপরে আছে। সে বিষয়ে কিন্তু অবশ্যই আমাদের নজর রাখতে হচ্ছে।