আন্তর্জাতিক টুডেঃ ভারত নিয়ন্ত্রিত জম্মু -কাশ্মীরের পুঞ্চ সেক্টরে অভিযান চলাকালে ভারতের এক সেনা কর্মকর্তাসহ পাঁচ সদস্য নিহত হয়েছেন। সোমবার ভোরে এ হতাহতের ঘটনা ঘটে বলে জানা গেছে।

সামরিক মুখপাত্রের উদ্ধৃতি দিয়ে বার্তা সংস্থা পিটিআই জানিয়েছে, লুকিয়ে থাকা দুর্বৃত্তরা অভিযানকারী দলের ওপর ব্যাপক গুলি বর্ষণ করে। এতে একজন জুনিয়র কমিশন্ড অফিসারসহ অন্য পদমর্যাদায় ৪ জন গুরুতর আহত হন। পরে আহত ওই ৫ সেনার মৃত্যু হয়।

চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি থেকে এখন পর্যন্ত যেসব হামলা হয়েছে তার মধ্যে এটি সবচেয়ে ভয়াবহ বলে ধারণা করা হচ্ছে।

ভারতীয় সেনাবাহিনীর তরফে জানানো হয়েছে, সোমবার ভোরে পুঞ্চ সেক্টরের সুরানকোট এলাকায় সন্ত্রাসবিরোধী অভিযানে নামে সেনা সদস্যরা। সেখানে কয়েকজন ভারী অস্ত্রধারী এলাকাটিতে অবস্থান করছেন গোপন সংবাদের ভিত্তিতেই সেখানে যায় তারা। একপর্যায়ে অস্ত্রধারীদের সঙ্গে তুমুল বন্দুকযুদ্ধ শুরু হয় সেনাদের।

সোমবার সকালেই দু’টি পৃথক ঘটনায় অনন্তনাগ এবং বান্দিপোরায় যৌথবাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষে দুই কাশ্মীরি নিহত হয়।

আরও পড়ুন

বাবাকে খুন করতে বেপরোয়া মেয়ের কাণ্ড!

নীলাকাশ টুডেঃ ভাড়াটে খুনি দিয়ে বাবাকে হত্যা করার বহু নজির আছে। তবে এই নারী বাবাকে খুন করার জন্য যা করলেন তা সত্যিই নজিরবিহীন।কারণ বাবাকে খুন করার জন্য এতোটাই বেপরোয়া হয়ে গিয়েছিলেন যে এই কাজের বিনিময়ে তিন ডাকাতকে বাড়িতে প্রবেশ করার সুযোগ করে দিয়েছেন তিনি। রোববার একটি আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে এ খবর জানা গেছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সিরিয়ার ওই নারী প্রথমে বাবাকে বিষ প্রয়োগে খুন করার চেষ্টা করেন। কিন্তু প্রাণে বেঁচে যান বাবা। এরপরই ওই তিন ডাকাতের শরণাপন্ন হন তিনি। তারা ওই নারীর বাবাকে গুলি করে হত্যা করার প্রতিশ্রুতি দেন। তবে বিনিময়ে তাদের ডাকাতি করতে দিতে হবে বলে শর্ত দেয় ডাকাতদল।

এরপর ওই তিন ডাকাত ২৮ সেপ্টেম্বর ওই বাড়িতে ডাকাতি করতে যায়। সে সময় গুলি করে মেয়েটির বাবাকে হত্যা করা হয়।

তবে গুলির শব্দে স্থানীয়রা চলে আসায় তারা আর ডাকাতি করতে পারেননি বলে ওই প্রতিবেদনে জানা গেছে।

ওই ঘটনার তদন্তে পুলিশ নিহত ব্যক্তির মেয়েকে জিজ্ঞাসাবাদ করলে তিনি এ ব্যাপারে পরস্পরবিরোধী বক্তব্য দেন। এ মেয়েটির অসংলগ্ন আচরণের কারণে পুলিশের সন্দেহ হয়।

পরে জিজ্ঞাসাবাদের এক পর্যায়ে মেয়েটি বাবাকে হত্যার জন্য ভাড়াটে খুনিদের শরণাপন্ন হওয়ার বিষয়টি স্বীকার করেন। এ সময় বিষ প্রয়োগে বাবাকে হত্যা করতে ব্যর্থ হওয়ার বিষয়টিও পুলিশের কাছে স্বীকার করেছেন তিনি।

তিন ডাকাত ও মেয়েটিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। তবে কেন মেয়েটি বাবাকে হত্যা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন তা জানা যায়নি। এ ব্যাপারে তদন্ত চলছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।