মোঃ নুরুজ্জামানঃ দীর্ঘ অর্ধ যুগ ধরে চলা অন্ধ প্রেম আলোর মুখ দেখলেও শেষ পর্যন্ত সাগর নদীর মিলন হওয়া না হওয়া নির্ভর করছে নদীর স্রোত কোন দিকে যায় তার উপর। নদী চায় তার ক্যারিয়ারে সফলতা, সাগর চায় তার ক্যারিয়ারের সফলতা। রুপ কথার নায়িকা ‘নদী’ সরকারি ব্যাংকের অফিসার হিসেবে দায়িত্ব পালন করলেও তার নার্স হওয়ার স্বপ্ন জেগে বসেছে। সাগরের আর ধৈর্য সইছে না। সাগর স্কুলের গন্ডি পার না করলেও ক্ষুদ্র একজন ব্যবসায়ী হিসেবে এলাকায় পরিচিতি পেয়েছে। সেই সাথে মহামারি করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ বৃদ্ধি পাওয়ায় ব্যবসায় ধংস নামে৷ তবে সাগর কোন মতে দমতে রাজি নয়, নতুন উদ্যোক্তা হিসেবে কাজও শুরু করতে চায়। সাগরের অভিযোগ নদীর পিছনে সময় দিতে গিয়ে নিজের ক্যারিয়ারে খানিকটা সমস্যা সৃষ্টি হয়েছে। তাই তার সিদ্ধান্ত চলতি মাসের শেষ হওয়ার আগে নদীকে ঘরে তোলা। দীর্ঘ জল্পনা কল্পনার পর নদীও রাজি হয়েছে সে সাগরের কাছ থেকে চলে যাবে না। সাগর গরীব হওয়ায় নদীকে প্রথম দিকে বাড়িতে নিতে চাচ্ছে না। তবে জেলা শহরে সুন্দর একটি বাসা ভাড়া নিবেন। পরবর্তীতে নিজেরাই বাড়ি বানিয়ে সেই বাড়িতে থাকবেন। এমন হাজারও স্বপ্ন নিয়ে নদী ও সাগর এগিয়ে যাচ্ছে। গল্পও শেষের দিকে চলছে। পরবর্তী লেখায় গল্প শেষ হবে বলে লেখক আশা করছে।

লেখক, সম্পাদক, নীলাকাশ টুডে